ভৈরবী দেবী হিন্দু তন্ত্র ও শাক্তধর্মে দশমহাবিদ্যার (দশজন শ্রেষ্ঠ দেবী) অন্যতম, যিনি ভৈরব বা শিবের প্রলয়ঙ্করী রূপের শক্তি বা সহধর্মিণী। তিনি অসীম শক্তি, জ্ঞান, ভয়ংকরী রূপ ও আধ্যাত্মিক উন্নতির প্রতীক, যা সৃষ্টি, স্থিতি ও সংহারের ত্রিগুণাত্মক শক্তি নিয়ন্ত্রণ করেন।
- ভৈরবী দেবী সম্পর্কে মূল তথ্য:স্বরূপ: তিনি তান্ত্রিক সাধনায় অত্যন্ত শক্তিশালী ও রহস্যময়ী দেবী। তিনি কুন্ডলিনী শক্তি হিসেবে পূজিত হন এবং কামরূপ কামাখ্যায় তার বিশেষ উপাসনা প্রচলিত।
- দশমহাবিদ্যা: দেবী কালী, তারা, ষোড়শী, ভুবনেশ্বরী, ভৈরবী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলামুখী, মাতঙ্গী ও কমলা—এই দশজন মহাবিদ্যার মধ্যে তিনি পঞ্চম।ভয়ংকরী অথচ করুণাময়ী:
- ভৈরবী মানে “ভয়ঙ্করী”, তবে তিনি তার ভক্তদের কাছে পরম করুণাময়ী। তিনি সাধকের অভ্যন্তরীণ ভয় ও কুসংস্কার দূর করেন।লিঙ্গ ভৈরবী (Isha Foundation): সদগুরু কর্তৃক প্রাণপ্রতিষ্ঠিত লিঙ্গ ভৈরবী দেবী হলেন আদি পরাশক্তির এক জীবন্ত ও উগ্র রূপ, যা শারীরিক, বৈষয়িক এবং আধ্যাত্মিক কল্যাণের জন্য পূজিত হন।
- উপাসনা: তার পূজা মানসিক শুদ্ধি পছন্দ করে এবং সাধারণত জ্ঞান, সম্পদ ও মোক্ষ লাভের জন্য করা হয়।ভৈরবী দেবী জ্ঞান এবং সভ্যতার প্রতিনিধিত্ব করেন এবং বিশেষ করে ত্রিপুরা ভৈরবী রূপটি সম্পদ ও সমৃদ্ধি দাত্রী হিসেবে পরিচিত।
