www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

September 3, 2026 10:08 am

ভারতের ধৰ্মীয় ইতিহাস খুবই বৈচিত্রেময়। সর্বত্র ছড়িয়ে আছে মানুষের নানা ধৰ্মীয় বিশ্বাস। তেমনই এক গনেশ মূর্তির কথা আজ আপনাদের জানাবো।

ভারতের ধৰ্মীয় ইতিহাস খুবই বৈচিত্রেময়। সর্বত্র ছড়িয়ে আছে মানুষের নানা ধৰ্মীয় বিশ্বাস। তেমনই এক গনেশ মূর্তির কথা আজ আপনাদের জানাবো। অসমের মায়ং অঞ্চল ঘিরে রয়েছে অগণিত লোকবিশ্বাস, তন্ত্রসাধনার ইতিহাস আর রহস্যময় কাহিনী। এই ভূখণ্ডের পাহাড়, নদী ও পাথরের বুকেও ছড়িয়ে রয়েছে বহু পুরনো প্রত্নঐতিহ্য। তারই এক অনন্য নিদর্শন বোহা গণেশ মন্দির, যেখানে পাহাড়ের পাথর কেটে তৈরি করা হয়েছে বিশাল এক গণেশমূর্তি। অসমের মরিগাঁও জেলার গরুমারা দোলোনির বোহা এলাকায়, কলং নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ প্রায় ১০.৫ ফুট উচ্চতার একশিলা গণেশমূর্তিটি। একাধিক তথ্যসূত্র অনুযায়ী, এটিকে অসমের সবচেয়ে বড় গণেশমূর্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে হয়েছে।

এই মূর্তির বিশেষত্ব শুধু তার বিশাল আকারে নয়। কাছ থেকে দেখলে এর নির্মাণশৈলীতেও ধরা পড়ে সূক্ষ্ম শিল্পবোধ। গণেশকে এখানে অলংকৃত মুকুট, কানের দুল এবং নাগকে পবিত্র সূত্র হিসেবে ধারণ করা অবস্থায় দেখা যায়। একটি ভাঙা দাঁত, হাতে কুঠার ও জপমালা এবং অন্য হাতে মোদক—প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই মূর্তিটিকে অনন্য করে তোলে। পায়ের কাছে রয়েছে গণেশের বাহন মূষিকও। মনে হয়, কোনও আলাদা পাথর এনে মূর্তি তৈরি করা হয়নি; বরং পাহাড়ের শরীরের মধ্যে থেকেই ধীরে ধীরে প্রকাশ পেয়েছেন বিঘ্নহর্তা। প্রাকৃতিক
পরিবেশও বোহাকে অসামান্য সৌন্দর্যে ভরিয়েছে। কলং নদীর তীর, পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং সবুজে ঘেরা শান্ত পরিবেশে যে কারওর মনই আনমোনা হয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে প্রস্তরখণ্ডটি ঘিরে গড়ে উঠেছে স্থানীয়, ধর্মীয় ও সামাজিক জীবন। এখন সেখানে গেলে দেখা যায় গণেশের মন্দিরটি, পাথরবাঁধানো মেঝে। রয়েছে পূজা অর্চনার যাবতীয় উপাদানও।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *