www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

October 28, 2026 2:15 pm

বিখ্যাত বামাকালীর পুজো নাকি এবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে! ছটপুজোর জন্য কালীপুজো করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ায় পুজো উদ্যোক্তারা আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছেন!

বিখ্যাত বামাকালীর পুজো নাকি এবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে! ছটপুজোর জন্য কালীপুজো করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ায় পুজো উদ্যোক্তারা আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছেন! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সত্যিই কি দেখা যাবে না বামাকালীর সেই ভাসান নৃত্যের দৃশ্য? মুখ খুললেন পুজো কমিটির সভাপতি। নদিয়ার শান্তিপুরের বামাকালীর পুজো অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রতি বছর প্রচুর দর্শনার্থী ভিড় করেন মা কালীর বিখ্যাত নাচ দেখতে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বেজুড়ে। তবে বিতর্ক সেই পুজো নিয়ে নয়। নদিয়ার শান্তিপুরের আদলেই এবার বর্ধমানে বামাকালী পুজোর উদ্যোগ। প্রথমবার এই কালীপুজো করার পরিকল্পনা করেছে নতুনগঞ্জ ইয়ং ইউনিট। আর সেখানেই সমস্যা। বর্ধমান বামাকালী কমিটির পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়, আলমগঞ্জের কল্পতরু মাঠে ছটপুজো কমিটির আপত্তির কারণে তাদের এই বছরের পুজোর পরিকল্পনা বাতিল করতে হচ্ছে। এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতির জন্য তারা জনসাধারণের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেয়। তারা জানান, সমস্যার কারণে এবারের মতো পুজো আয়োজন তারা বন্ধ রাখছেন।

প্রথম বছরের এই পুজো ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ৩১ ফুট উঁচু বামাকালী প্রতিমা, লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো এবং ১৪ নভেম্বরের ঐতিহ্যবাহী বামাকালীর নাচ সমেত শোভাযাত্রার প্রচার চালানো হচ্ছিল। তাই হঠাৎ পুজো বাতিলের ঘোষণায় শোরগোল পড়ে যায়। নতুনগঞ্জ ইয়ং ইউনিট পুজো কমিটির সভাপতি সাওন রায় বলেন, ‘বাঙালি বা বিহারী নিয়ে কোনও ইস্যু নেই। এগুলো গুজব রটানো হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ঘাটের রাস্তা দিয়ে বাহির পথ রাখার। কিন্তু ছট পুজো কমিটির বক্তব্য ছিল, ওই বাহির পথে কেউ এঁটো-কাটা ফেললে জায়গাটা অপবিত্র হবে। আমরাও আপত্তি তুলেছিলাম যে অন্য কোনও জায়গা দিয়ে দর্শনার্থীদের বেরনোর পথ করব না। সামান্য মতবিরোধ হয়েছিল ঠিকই তবে বর্ধমান থানার IC-র মধ্যস্থতায় তা মিটে গিয়েছে। আমরা এন্ট্রি এবং এক্সিট পয়েন্ট বদলে দিয়েছি।’ উল্লেখ্য, ছট পুজো রয়েছে আগামী ১৫ নভেম্বর। সেক্ষেত্রে ৮ নভেম্বর কালীপুজোর সময়ে দর্শনার্থীদের জন্য এন্ট্রি এক্সিট পয়েন্ট আলাদা করার প্রয়োজনীয়তা কেন পড়ছে? এর জবাবে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘এটা ঠিকই যে দু’টি পুজোর সময়ে ব্যবধান রয়েছে তবে ছট পুজোর জন্য ঘাট এলাকা ওঁরা ১০ দিন আগে থেকেই ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করতে শুরু করেন। ফলে ওই জায়গাটা তারা অপবিত্র হয়ে যাক চাইছেন না। আমরাও বিষয়টা মেনে নিয়েছি। কিছু মানুষ স্বার্থসিদ্ধির জন্য বিষয়টিতে রাজনীতির রং লাগাতে চাইছে।’

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *