বাইরে বৃষ্টি , ভিতরে অফিসের বিকেলের খাবারে চা-সিঙাড়ার অপেক্ষায় কর্মীরা। কিন্তু খাবার যখন হাতে এল, দেখা গেল, বাক্সে সিঙাড়া নয়, বদলে রয়েছে নানা ধরনের একরাশ কাটা ফলমূল! ভুল খাবার এল কি? প্রশ্ন জাগে স্বাভাবিকভাবেই, কিন্তু উত্তরে জানা যায় যে, না! এখন থেকে রোজ বিকেলের খাবারে মুখরোচক স্ন্যাকসের বদলে পাওয়া যায় কেবল ফলই! কেমন প্রতিক্রিয়া হবে কর্মীদের? এ ঘটনার বেঙ্গালুরুর (Bengaluru office) এক অফিসের। সেখানকার জনৈক কর্মী আইনা নারং নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা জানান ঘটনাটির কথা। সাধারণত প্রত্যেক বিকেলেই চায়ের সঙ্গে ‘টা’ হিসেবে কর্মীদের পাতে আসে বড়া পাও, সিঙাড়া, অথবা এমনই টক-ঝাল স্বাদের কোনও স্ন্যাক। কিন্তু তেলমশলাযুক্ত খাবার কারও স্বাস্থ্যের পক্ষেই ভালো নয়, তাই পদক্ষেপ করেন আইনা নিজেই। তার পোস্ট জানায়, অফিস প্যান্ট্রিতে এই বদল আনার জন্য রীতিমতো কষ্ট করে রাজি করাতে হয়েছে অফিস অ্যাডমিনকে।
আইনার আবেদনে শেষ অবধি সায় জানিয়েছেন অ্যাডমিন। তাই প্রত্যেক কর্মীর জন্য প্যাক করা হয়েছে কলা, পাকা আম আর তরমুজের টুকরো। অফিসের স্ন্যাক কাউন্টারটিকেই ঢেলে সাজানোর ইচ্ছে রাখেন তিনি, আইনা এমনটাও জানিয়েছেন মজার ছলেই। তবে এই ভাইরাল’ পোস্টের কমেন্টবক্সে দুই দলে ভাগ হয়ে গিয়েছে নেটিজেনরা। নেটিজেনদের অধিকাংশই ক্ষুব্ধ এমন কাজে। কেউ বলছেন, খাদ্যভ্যাস বদলাতে চাইলে আইনা তা নিজের ক্ষেত্রে করতেই পারেন। বলপূর্বক অফিসের সবার খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে বাধ্য করতে পারেন না। কেউ আবার বলছেন, সারাদিনের বিপুল কাজের ফাঁকে হয়তো বিকেলের এই খুদে স্ন্যাক ব্রেকটির জন্য মুখিয়ে থাকেন অনেকেই। অপার ক্লান্তির মাঝে অল্প কিছুক্ষণের জন্য পাতে টক-ঝাল খাবার পড়লে তা কেবল পেট ভরায় না, মনও ভরায়। ফলের টুকরো কখনওই এর বিকল্প হতে পারে না। কেউ তো এমনটাও বললেন আইনার উদ্দেশে, যে এমন সহকর্মী যেন কারও ভাগ্যেই না জোটে!
