আশার কন্ঠে সুরের ঝঙ্কারে প্রাণ ফিরে পেয়েছে বহু অভিনেত্রী। তাদের মধ্যে অন্যতম বাংলা সিনেমার দেবশ্রী রায়। আশার কণ্ঠের সঙ্গে দেবশ্রীর দুরন্ত মেলবন্ধনের উপহার ঝুড়ি ঝুড়ি। যা কিনা আটের দশক ও নয়ের দশককে জমিয়ে রেখেছিল। বাংলা সিনেমার গানের সেটা ছিল এক সুপারহিট সময়। সেই প্রিয় আশাজিকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়। বৃষ্টিতে ভিজছেন দেবশ্রী রায়। তাপস পালের ছবি হাতে সে যেন প্রেমিকা সব বাধা পেরিয়েছে। হঠাৎই বিদ্যুৎ চমকায়। আর তারপরই সেই কণ্ঠস্বর যা কিনা বাঙালিদের মনের কোণায় সদা উজ্জ্বল। হ্যাঁ, ”আর কত রাত একা থাকব…” । ছবির নাম চোখের আলো। তবে শুধুই এই ছবি নয়, ‘ত্রয়ী’র ‘কথা হয়েছিল’ কিংবা জানা অজানা। আশার কণ্ঠের সঙ্গে দেবশ্রীর দুরন্ত মেলবন্ধনের উপহার ঝুড়ি ঝুড়ি।
যা কিনা আটের দশক ও নয়ের দশককে জমিয়ে রেখেছিল। বাংলা সিনেমার গানের সেটা ছিল এক সুপারহিট সময়। সেই প্রিয় আশাজিকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়।
দেবশ্রী রায় বললেন, আশাজি ছাড়া তিনি অসম্পূর্ণ। দেবশ্রী রায় জানালেন, ”কী বলব, ভেবে পাচ্ছি না। খুবই শোকহত। আশাজির অবদান আমার জীবনে প্রচুর। আমি তো মনে করি, আশাজি ছাড়া আমার দেবশ্রী রায় হওয়া হতো না। কত গান, সবকটা সুপারহিট। আশাজি ছাড়া আমি একেবারেই অসম্পূর্ণ হয়ে গেলাম।” দেবশ্রী রায় আরও জানালেন, ”সিনেমার সময় থেকে নয়, আমি সিনেমার আগে যখন নাচের অনুষ্ঠান করতাম। তখন থেকেই চিনি। উনি গাইতেন, আর আমি নাচতাম। এই স্মৃতিগুলো আমার সারাজীবনের অমূল্য সম্পদ।” মৃত্যুকালে আশা ভোঁসলের বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ সকলে। গতকাল সন্ধ্যাবেলাতেই বুকে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন আশা ভোঁসলে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। আজ দুপুরে এল দুঃসংবাদ।
