www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

April 11, 2026 4:50 pm

এখন অবশ্য অধিকাংশ মানুষ গঙ্গাপার থেকে প্ল্যাস্তিকের কন্টেনার কিনে তাতে করেই গঙ্গাজল ঘরে জমা রাখে।

এখন অবশ্য অধিকাংশ মানুষ গঙ্গাপার থেকে প্ল্যাস্তিকের কন্টেনার কিনে তাতে করেই গঙ্গাজল ঘরে জমা রাখে। কিন্তু বাস্তু তা বারণ করছে। হিন্দু ধর্মে গঙ্গার জল বা গঙ্গাজল কেবল পবিত্রতার প্রতীক নয়, এটি বাড়ির ইতিবাচক শক্তির অন্যতম উৎস। পূজা-পার্বণ থেকে শুরু করে যে কোনও শুভ কাজে গঙ্গা জলের ব্যবহার অপরিহার্য। প্রায় প্রতি ঘরেই গঙ্গাজল সযত্নে রাখা থাকে। কিন্তু জানেন কি, অত্যন্ত ভক্তিভরে রাখা এই জলই কখনও কখনও আপনার সংসারে অমঙ্গল ডেকে আনতে পারে? বাস্তুশাস্ত্র বলছে, গঙ্গাজল রাখার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। সামান্য ভুলে হিতে বিপরীত হতে পারে, যার ফলে দেখা দিতে পারে চরম আর্থিক সংকট বা পারিবারিক অশান্তি। প্লাস্টিকের পাত্রে গঙ্গাজল নয়! আজকাল বাজার থেকে অনেকেই গঙ্গাজল কেনেন যা থাকে প্লাস্টিকের বোতলে। অনেকেই সেই অবস্থাতেই ঠাকুরের আসনে বা বাড়ির অন্য কোথাও রেখে দেন। বাস্তুবিদদের মতে, এটি সবথেকে বড় ভুল। প্লাস্টিককে বাস্তুশাস্ত্রে অশুভ এবং অশুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

গঙ্গাজল কখনওই প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করা উচিত নয়। এতে জলের পবিত্রতা যেমন নষ্ট হয়, তেমনই পরিবারের কর্তার ওপর আর্থিক ঋণের বোঝা বাড়তে পারে। এর পরিবর্তে তামা, পিতল বা রুপোর পাত্রে গঙ্গাজল রাখা শ্রেয়। এতে গৃহের সমৃদ্ধি বজায় থাকে। আপনার বাড়ি বা ফ্ল্যাটে গঙ্গাজল ঠিক কোন দিকে রাখা আছে, তার ওপর নির্ভর করে আপনার ভাগ্য। বাস্তু মতে, বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণ বা ঈশান কোণ হল দেবস্থান। গঙ্গাজল রাখার জন্য এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ জায়গা। ভুল করেও অন্ধকার বা ধুলোবালি জমে থাকে এমন কোনও স্থানে পবিত্র এই জল রাখবেন না। এতে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বাড়ে এবং উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *