www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

April 3, 2026 12:24 pm

আপনার সংসারে কোনো অভাব নেই, অথচ শান্তিও নেই। কিভাবে যেন সংসারের শান্তি চলে যাচ্ছে

আপনার সংসারে কোনো অভাব নেই, অথচ শান্তিও নেই। কিভাবে যেন সংসারের শান্তি চলে যাচ্ছে। আপনার বা আপনার পরিবারের উপর কোনো নজর লাগে নি তো? শাস্ত্র মতে, শুধু মানুষের উপর নয়, আপনার তিল তিল করে গড়ে তোলা সাধের বাসভবনের উপরও আছড়ে পড়তে পারে অন্যের কুনজর বা ‘ইভিল আই’। কার মনে কী আছে, তা আগে থেকে বোঝা দায়। অনেক সময় কাছের মানুষের ঈর্ষা বা পরিচিত কারও নেতিবাচক মানসিকতা আপনার সুখের সংসারে অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই, প্রাচীন বিশ্বাস আর জ্যোতিষশাস্ত্রে এই কুপ্রভাব কাটানোর অত্যন্ত সহজ কিছু উপায় রয়েছে।

  • লবণকে নেতিবাচক শক্তি শোষণের মহৌষধ মনে করা হয়। শাস্ত্রবিদদের মতে, সদর দরজার ঠিক পাশেই একটি কাঁচের পাত্রে কিছুটা সৈন্ধব লবণ ভরে রাখুন। এটি বাইরের নেতিবাচক তরঙ্গকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেয়। তবে মনে রাখবেন, এই নুন যেন দিনের পর দিন এক না থাকে। প্রতি সপ্তাহে পুরনো নুন বদলে নতুন নুন সেখানে রাখুন। এতে বাড়ির পরিবেশ সতেজ থাকে।
  • কর্পূর প্রতিদিন সন্ধ্যায় নিয়ম করে কর্পূর জ্বালানোর অভ্যাস করুন। কর্পূরের সুগন্ধ কেবল মন শান্ত করে না, এর ধোঁয়া বাড়ির কোণে কোণে জমে থাকা অশুভ শক্তিকে নষ্ট করে দেয়। সারা বাড়িতে সেই ধোঁয়া ছড়িয়ে দিয়ে শেষে কর্পূর পোড়া ছাই বাড়ির সীমানার বাইরে ফেলে দিন। এতে পুরনো কোনও কুদৃষ্টির প্রভাব থাকলেও তা দ্রুত কেটে যায়।
  • লেবু-লঙ্কা: অনেকেই সাধারণত দোকান বা ব্যবসার জায়গাতেই লেবু-লঙ্কা ঝোলাতে অভ্যস্ত। কিন্তু জ্যোতিষবিদদের মতে, বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারে প্রতি শনিবার একটি তাজা লেবু ও সাতটি লঙ্কা সুতো দিয়ে গেঁথে ঝুলিয়ে দিলে শত্রুর বিষনজর সরাসরি বাড়ির অন্দরে প্রবেশ করতে পারে না। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ঢাল হিসেবে কাজ করে।
  • মঙ্গল চিহ্ন বা স্বস্তিক: বাড়ির প্রবেশপথ দেখেই অনেকে আপনার শ্রীবৃদ্ধি নিয়ে মনে মনে ঈর্ষা করতে পারেন। এই সমস্যা এড়াতে সদর দরজার পাশের দেওয়ালে সিঁদুর দিয়ে ‘ওম’ লিখুন অথবা একটি ‘স্বস্তিক’ চিহ্ন আঁকুন। হিন্দু ধর্মে এই চিহ্নগুলোকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়, যা যে কোনও কুনজরকে রুখে দিতে সক্ষম।
  • পরিচ্ছন্নতা: জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি সহজ যুক্তি হল, যেখানে অন্ধকার আর নোংরা বেশি, সেখানে অশুভ শক্তির বাসও বেশি। অপরিষ্কার বা অগোছালো ঘরবাড়িতে নেতিবাচক প্রভাব খুব দ্রুত জাঁকিয়ে বসে। তাই বাড়ি সবসময় ধুয়ে-মুছে ঝকঝকে রাখুন।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *