কিছু মানুষ চিরকাল থাকেন যারা অন্যের জন্য আপ্রাণ লড়াই লড়ে যান। সেই মানুষদের খুঁজে নেওয়া যায় জ্যোতিষশাস্ত্রের পরামর্শ অনুযায়ী। জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁরা সত্যিই ‘দয়ার সাগর’। নিজের ক্ষতি করে হলেও অন্যের মুখে হাসি ফোটানোই এদের জুড়ি মেলা ভার। মানুষটি কত দিনের পরিচিত বা তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক কেমন, সে সবের বিচার এরা করেন না। বিপদের কথা শুনলে এমনকি শত্রুর দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পিছুপা হন না এই পাঁচ রাশির জাতক-জাতিকারা। যেমন –
- বৃষ রাশি: কাউকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে চাইলে বৃষ রাশির মানুষের চেয়ে ভালো বিকল্প আর হয় না। এঁরা অত্যন্ত নীতিবান। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, অন্যের বিশ্বাস ভাঙা এঁদের ধাতে নেই। সবচেয়ে বড় গুণ হল, কাউকে সাহায্য করে সেটা নিয়ে ঢাক পেটাতে এঁরা পছন্দ করেন না। প্রতিদানে কিছু পাওয়ার আশা না রেখেই এরা সকলের পাশে দাঁড়ান।
- কর্কট রাশি: কর্কট রাশির মানুষেরা ভীষণ আবেগপ্রবণ এবং দয়ালু হন। অন্যের কষ্ট দেখলে এঁরা স্থির থাকতে পারেন না। এমনকি নিজেকে অসুবিধার মুখে ঠেলে দিয়েও অন্যের সমস্যা সমাধান করতে ছুটে যান। প্রিয়জনরা ভালো থাকলেই এঁদের মনে শান্তি আসে। সহমর্মিতা এঁদের চরিত্রের অন্যতম প্রধান অলঙ্কার।
- কন্যা রাশি: কন্যা রাশির মানুষেরা মুখে হয়তো খুব মিষ্টি কথা বলতে পারেন না, কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে এরা এক নম্বরে। কাছের মানুষদের আগলে রাখতে এরা জান লড়িয়ে দেন। কার কী প্রয়োজন, কে কোন অবস্থায় আছেন— সে সবের দিকে এদের কড়া নজর থাকে। যে কোনও মানুষের অসহায়তায় নিজের সর্বস্ব দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানসিকতা রয়েছে এই রাশির জাতক জাতিকাদের।
- তুলা রাশি: নিজে শান্তিতে থাকতে ভালোবাসলেও, অন্যের অশান্তি দেখলে তুলা রাশির জাতকরা মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারেন না। অন্যের উপকার করতে গিয়ে নিজের জীবনের ছন্দ বিগড়ে গেলেও এরা কুন্ঠিত হন না। এদের কাছে মানবিকতা সবকিছুর উপরে। স্বার্থহীন ভাবে পাশে দাঁড়ানোই তুলা রাশির জাতকদের বৈশিষ্ট্য।
- মীন রাশি: সংবেদনশীলতার নিরিখে মীন রাশির জাতকরা অনেকটা কর্কটের মতোই। এরা এতটাই পরোপকারী যে, যাঁরা অতীতে এদের সাহায্য করেননি, তাঁদেরও বিপদে হাত বাড়িয়ে দেন। লাভ-ক্ষতির হিসেব কষে এরা কখনও কারও পাশে দাঁড়ান না। কাউকে মানসিকভাবে আঘাত দেওয়া এদের কাছে পাপের সমান।
