www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

March 15, 2026 12:43 pm

ডেলিভারি বয়দের কাজ এখন খুবই পরিচিত। তবে মাঝে মাঝে খুবই সমস্যায় পড়তে হয় এই ডেলিভারি বয়দের।

ডেলিভারি বয়দের কাজ এখন খুবই পরিচিত। তবে মাঝে মাঝে খুবই সমস্যায় পড়তে হয় এই ডেলিভারি বয়দের। রাতবিরেতে কবরস্থানে বসে খাবার অর্ডার করার কথা শুনেছেন কখনও? সম্প্রতি এমনই এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। সত্যি কোনও তরুণী নাকি পেতনির ডাক, তা নিয়ে আলোচনায় নেটপাড়ায় শোরগোল। ডেলিভারি বয় ও তরুণীর কথোপকথন দিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওর শুরু। খাবার নিয়ে ঠিক কোন জায়গায় পৌঁছতে হবে, সে দিকনির্দেশ করছেন তরুণী। তিনি বলছেন, রাস্তায় দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কুকুরের দিকে এগিয়ে যেতে। ডেলিভারি বয় এগোতে গিয়ে বুঝতে পারেন আসলে ওই জায়গাটি হল কবরস্থান।

আর সঙ্গে সঙ্গে যেন শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল রক্ত বয়ে গিয়েছে ডেলিভারি বয়ের। তিনি স্পষ্ট জানান, ওই অন্ধকারের মধ্যে কবরস্থানে খাবার দিতে যাবেন না। তরুণী ডেলিভারি বয়কে জানান, আসলে কবরস্থানে বন্ধুর সঙ্গে পার্টি করবেন। তাই সেখানে পৌঁছে দিতে হবে খাবার। আবার ডেলিভারি বয়কে জিজ্ঞাসা করেন, ভূতের ভয় পাচ্ছেন কিনা। ডেলিভারি বয় জানান, তিনি ভূতের ভয় পাচ্ছেন না। তবে নিরাপত্তার কথা ভেবে ঘুটঘুটে অন্ধকারে কবরস্থানে যাবেন না। ভিডিওটি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় চলছে জোর চর্চা। কেউ কেউ বলছেন, ভূত, পেতনির ডাক কিছু নয়। ভিউয়ার বাড়ানোর আশায় আগে থেকে তৈরি করা সংলাপ আওড়েছেন দু’জনে। আবার কারও কারও দাবি, যেকোনও কর্মীর কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে। তাই ডেলিভারি বয় কোথাও নিরাপত্তার অভাববোধ করলে না যেতে পারেন। তাঁকে জোর করা মোটেও উচিত নয়। কারও মতে, ডেলিভারি বয় একজন মানুষ। রোবট নন। তাই অন্ধকারে ঘেরা কবরস্থানে যেতে তাঁক ভয় লাগতেই পারে। তরুণীর কবরস্থানের ভিতরে বসে খাবার অর্ডার করা উচিত হয়নি বলেও মত কারও কারও।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *