www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

March 2, 2026 2:08 pm

রঙের উৎসবে বারাণসীর বিখ্যাত খেলা ‘মাসান হোলি’ বা ‘মাসানে কি হোলি’।

রঙের উৎসবে বারাণসীর বিখ্যাত খেলা ‘মাসান হোলি’ বা ‘মাসানে কি হোলি’। বাবা মাসান নাথ মন্দিরের প্রাঙ্গণে এই খেলায় মেতে ওঠেন অঘোরীরা। সারা দেশ যখন আবির-জলরঙে ব্যস্ত, বারাণসীর মাসান হোলিতে তখন ব্যবহার হয় শ্মশানের ছাই! এমন খেলার আয়োজকদের বরাবরের দাবি, মাসান হোলির সূচনা প্রায় একশো বছর আগে! কথিত আছে, রঙভরি একাদশীতে মা পার্বতীকে নিয়ে গৃহে ফেরেন মহাদেব। এ উপলক্ষ উদযাপনে হোলি খেলায় মাতে ভক্তকূল। মৃতদেহের ছাই-ই হয়ে ওঠে খেলার মূল উপজীব্য। সে খেলায় অংশ নেয় ভূতপ্রেত, পিশাচ, কিন্নর, যক্ষ, গন্ধর্ভ ও মানুষ।

অবশ্য সমালোচকদের মতে, তেমন ভারিক্কি কোনও ঐতিহাসিক ভিত্তি বাস্তবে নেই! গত বেশ কয়েক বছর ধরে নির্বিবাদে এই ছাইয়ের হোলি খেলা চললেও এবছর তাতে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে বলেই জানাচ্ছে সূত্র। বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয় এই মাসান হোলি। অনেকেই বহুদূর থেকে এই দোলখেলা দেখতে ভিড় করেন। সে ভিড়ে থাকে আগ্রহী জনতা থেকে শুরু করে ভিনদেশি ফোটোগ্রাফার ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সররাও। বিগত বছরগুলির সমীক্ষা জানাচ্ছে, মসান হোলির দিন মানুষের সংখ্যা ঠেকে যায় প্রায় চার লাখে! আর তাতেই বেধেছে বিপত্তি। প্রাথমিকভাবে কেবল বাবা মাসান নাথ মন্দির প্রাঙ্গণে খেলা চললেও বর্তমানে তা ছড়িয়ে পড়েছে গঙ্গা তীরবর্তী মণিকর্ণিকা ঘাটে। যার জন্য সবচাইতে বেশি ভোগান্তি পোয়াতে হয় শশ্মানে প্রিয়জনকে দাহ করতে আসা মানুষদের।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *