www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 19, 2024 2:55 pm

রাজ্যের পদাধিকারীরা বাদে এই বৈঠকে ডাকা হয়েছে সব সাংগঠনিক জেলার সভাপতি, আহ্বায়ক এবং বিভাগ স্তরের নেতাদের। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে আমন্ত্রিত দু’শো জনের মতো। বিধায়কদের না ডাকা না হলেও থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিধানসভায় মুখ্যসচেতক মনোজ টিগ্গা।

পুরভোট মিটে গিয়েছে। বিধানসভার মতো এ বারেও হতাশ করেছে ফলাফল। তবে সে সব পিছনে ফেলে আগামীর পরিকল্পনা করতে শনিবার ‘বিশেষ’ বৈঠক ডেকেছে রাজ্য বিজেপি। বৈঠক হবে কলকাতায়, জাতীয় গ্রন্থাগারের একটি সভাকক্ষে। ডাকা হয়েছে গোটা রাজ্যের সাংগঠনিক পদাধিকারীদের। গেরুয়া শিবির এই সমাবেশের নামই দিয়েছে, ‘বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠক’। দলের দাবি, পুরভোটে পর্যুদস্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা যাতে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও না হয় এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বেহাল সংগঠনের প্রভাব না পড়ে— সেই লক্ষ্যেই এটা প্রথম বিশেষ বৈঠক। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনেও গোটা রাজ্যের সব নেতাকে একত্রিত করে এমন ‘বিশেষ’ বৈঠক মাঝেমাঝেই করতে চান রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তবে শনিবারের বৈঠকে যে সমালোচনার স্বর উচ্চগ্রামে উঠতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে রাজ্য বিজেপি-র নেতাদের মধ্যে। যদিও সুকান্ত বলছেন, ‘‘এমন কোনও চিন্তা নেই। আমাদের মধ্যে কারও কারও মতান্তর থাকলেও মনান্তর নেই। সকলে মিলে সংগঠন মজবুত করাই আমাদের লক্ষ্য।’’

সুকান্ত নতুন রাজ্য কমিটি গঠন করার পর থেকেই দলের ভিতরে নানা বিরোধী স্বর মাথাচাড়া দেয়। বিধায়ক, সাংসদদের কয়েক জন সেই বিদ্রোহী স্বরে কেউ প্রকাশ্যে, কেউ আড়ালে গলা মিলিয়েছেন। রাজ্য কমিটি থেকে বাদ যাওয়া জয়প্রকাশ মজুমদার, রীতেশ তিওয়ারিরা বেশি সরব হওয়ায় তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। কিন্তু রাজ্য নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন এমন অনেকেই আড়ালে নতুন কমিটির সমালোচনা করে চলেছেন। তাঁদের মধ্যে যাঁকে নিয়ে জল্পনা বেশি, তিনি হুগলির সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপি-র অন্যতম সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘ দিন রাজ্যের বাইরে থাকার পরে শুক্রবারই তিনি বাংলায় কোনও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। হুগলিতে ইউক্রেন থেকে ফেরা কয়েক জন বাঙালি পড়ুয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে প্রভূত জল্পনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরে। কারণ, উত্তরাখণ্ডে ভোট প্রচারের মধ্যেই তিনি বনগাঁর মতুয়া সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক করেন। শান্তনু আবার বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ। এর পাশাপাশি দিল্লিতে লকেট-রীতেশ বৈঠক হয় সম্প্রতি। পরে পুরভোটের ফল ঘোষণার দিনে দলের ভিতরে ‘আত্মবিশ্লেষণ’ চেয়ে টুইট করেছেন লকেট। শনিবারের বৈঠকে সেই লকেট কি সরব হবেন? বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রতিনিধিদের কেউ কেউ কি বর্তমান রাজ্য কমিটির কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন? এমন প্রশ্ন রয়েছে বিজেপি-র অন্দরে। তবে জাতীয় গ্রন্থাগারে হতে চলা বৈঠকের কর্মসূচি যে ভাবে সাজানো হয়েছে তাতে লকেটরা চাইলে সেই সুযোগ পাবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

রাজ্যের পদাধিকারীরা বাদে এই বৈঠকে ডাকা হয়েছে সব সাংগঠনিক জেলার সভাপতি, আহ্বায়ক এবং বিভাগ স্তরের নেতাদের। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে আমন্ত্রিত দু’শো জনের মতো। বিধায়কদের ডাকা না হলেও পদাধিকারবলে থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিধানসভায় দলের মুখ্যসচেতক মনোজ টিগ্গা।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *