শরীরের অনেক জায়গায় অনেকেরই নানাধরনের দাগ থাকে – যাকে আমরা ‘জন্মদাগ’ বলি। জ্যোতিষ মতে এই জন্মদাগ আসলে মানুষের পূর্ব জন্মের কিছু আভাস। যমজ হলে অনেক সময় জন্মদাগ দিয়ে তাঁকে চেনা হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, এই চিহ্নগুলো আসলে আমাদের আত্মার ফেলে আসা সময়ের এক একটি সংকেত। শাস্ত্র বলছে যে, শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে জন্মদাগ থাকলে তা থেকে বোঝা সম্ভব গতজন্মে আপনি কেমন ছিলেন। শাস্ত্র অনুযায়ী, যাঁদের মুখে জন্মদাগ রয়েছে, তাঁরা গতজন্মে কর্মক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছিলেন। সমাজে তাঁদের যথেষ্ট নামডাকও ছিল। কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠ হল, তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন খুব একটা সুখের ছিল না। অত্যধিক রাগের কারণে তাঁদের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কে ছেদ পড়েছিল। অর্থাৎ পেশাগত জীবনে সফল হলেও মানসিক দিক থেকে তাঁরা নানা কষ্টের সম্মুখীন হয়েছিলেন।
- পায়ের দাগ
যাঁদের পায়ে জন্মদাগ রয়েছে, মনে করা হয় আগের জন্মে তাঁরা অত্যন্ত ভ্রমণপিপাসু ছিলেন। গতজন্মে হয়তো তাঁরা কোনও পর্যটন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং নিজের জন্মস্থান থেকে দূরে দূরেই দিন কাটিয়েছেন।
- হাতের দাগ
হাতে জন্মদাগ থাকা মানেই সেটি আপনার পূর্বজন্মের হাড়ভাঙা খাটুনির প্রমাণ বহন করছে। জ্যোতিষীদের মতে, এই সকল ব্যক্তি গতজন্মে অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, সেই পরিশ্রমের তুলনায় তাঁরা আশানুরূপ সফলতা পাননি। তাঁদের গোটা জীবনটাই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছে।
- কাঁধের দাগ
যাঁদের কাঁধে জন্মদাগ থাকে, তাঁদের ওপর গতজন্মে প্রচুর দায়িত্ব ছিল। সামাজিক ও পারিবারিক— উভয় ক্ষেত্রেই তাঁরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সেই দায়ভার পালন করে এসেছেন। এই ধরণের মানুষরা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হন। তাঁরা কখনও কারও বিশ্বাসভঙ্গ করেন না এবং তাঁদের চোখ বুজে ভরসা করা যায়।
