প্রশ্নটা উঠেছে তৃষাণজিৎ -এর একটা ফেসবুক পোষ্ট নিয়ে। তবে তা নিতান্তই সুদূর প্রসারী কল্পনাও হতে পারে। রবিবার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ্যে এসেছে। এমন আবহেই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। রবিবার রাতে সোশাল মিডিয়ায় বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে রাম নাম করেছেন তিনি। আর ভোটমুখী বঙ্গে এহেন ছবি, ক্যাপশনেই মিশুকের গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার জল্পনা তুঙ্গে। তৃষাণজিতের পোস্টে যে ছবি দেখা গিয়েছে, সেটা গত ফেব্রুয়ারি মাসের। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পদ্মশ্রী প্রাপ্তির পর শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বালিগঞ্জের বাসভবনে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। সেসময়েই এই ছবি তোলা। যেখানে বাবা এবং বিজেপি নেতার মধ্যমমণি হিসেবে দেখা গেল তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে।
আর রবিবাসরীয় রাতে টলিপাড়ার মেগাস্টার পুত্রের এহেন পোস্ট নিয়েই যত ফিসফাস! নেটভুবনেও ছড়িয়ে পড়েছে তারকাপুত্রের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা। যদিও ভোটমুখী বঙ্গে এহেন জল্পনার আবহে প্রসেনজিৎ কিংবা তৃষাণজিৎ কেউই পালটা পোস্ট করে কোনওরকম প্রতিক্রিয়া দেননি, তবে একাংশ আবার তারকাপুত্রের স্বাধীনচেতা রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বালিগঞ্জের বাসভবন ‘উৎসব’-এ গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেসময়ে সিনিয়র অভিনেতার হাতে রামলালার প্রতিকৃতি এবং ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সেদিন উৎসব থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা জানিয়েছিলেন, “প্রসেনজিৎদার বাড়িতে আসার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সব বিষয়ে রাজনীতি ঢোকাতে নেই।” তিনি জানান, “প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বাংলা সিনেমার শ্রীবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন। আর সেই অবদানের জন্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে পদ্ম সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে তাঁকে।”
