www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

January 17, 2026 10:07 am

বাংলার অজস্র কালী মন্দির নিয়ে আছে অনেক কিংবদন্তি। এমন অনেক প্রচলিত কাহিনী আছে যা শুনলে চমকে উঠতে হয়।

বাংলার অজস্র কালী মন্দির নিয়ে আছে অনেক কিংবদন্তি। এমন অনেক প্রচলিত কাহিনী আছে যা শুনলে চমকে উঠতে হয়। তেমনই এক কালী মন্দির হলো – উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের শ্যামসুন্দরী কালী মন্দির। কথিত, এই মন্দিরে কালী মায়ের জীবন্তরূপ বিরাজ করে। তাই অনেকে এই মন্দিরকে জীবন্ত কালীর মন্দিরও বলে থাকেন। দেবী এখানে পুজিত হন শিশু কন্যা রূপে। তাই এখানে অম্বুবাচি পালিত হয় না। এমনকি দেবীকে মাছ-মাংস ভোগ দেওয়া হয় না। বিশ্বাস, শ্যামসুন্দরী মা কখনও কাউকে খালি হাতে ফেরান না। ভক্তি ভরে পুজো দিলে পূরণ হয় মনবাঞ্ছা। তাই প্রতি অমাস্যায় এখানে বহু ভক্তের সমাগম ঘটে। আগামী ৩০ তারিখ পৌষ অমাবস্যাতেও এখানে আসবেন অনেক ভক্ত।

মন্দিরের গর্ভগৃহে দেবীর ছোট মূর্তি। অদ্ভুত ভাবে এই কালী মন্দিরে দেবীর সঙ্গেই বিরাজমান জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরাম। দেবীর পাশে আছেন ভৈরব।এই মন্দিরে প্রতিদিন দু’বেলা অন্ন ভোগ রান্না করা হয়। প্রসাদ না নিয়ে কোনও ভক্তকে ফেরানো হয় না। শোনা যায়, দেবী নাকি একবার স্বপ্নাদেশ দিয়ে বলেছিলেন যদি ভোগ কম পড়ে তাহলে ভিক্ষা করতে হবে কিন্তু ভক্তদের ভোগ না দিয়ে ফেরানো যাবে না। তবে সবচেয়ে অলৌকিক বিষয় হল, দেবী নাকি এখানে জীবন্ত রূপে বিরাজমান। ভক্তদের অনেকের দাবি, তাঁরা নাকি দেবীকে চোখের পলক ফেলতে দেখেছেন। শোনা যায়, অমাবস্যার রাতে গোটা মন্দির চত্বরে হেঁটে বেড়ান শ্যামাসুন্দরী মা, কথা বলেন ফিসফিস করে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *