www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 20, 2026 10:16 am

ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্র প্রচুর গবেষণার ফসল।

ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্র প্রচুর গবেষণার ফসল। অনেকদিন ধরে গবেষণা করেই তারা নানা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। সারাদিনের খাটুনির পর এক চিলতে শান্তির খোঁজ মেলে বিছানায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, ভুল দিকে পা করে ঘুমনোর (Vastu Tips for Sleeping) কারণে আপনার রাতের ঘুম তো উড়েই যেতে পারে, সঙ্গে পিছু নিতে পারে চরম দুর্ভাগ্যও? অনেকেই রাতে শোওয়ার সময় মাথার দিক বা পায়ের দিক ঠিক কোন অভিমুখে রইল, তা নিয়ে মাথা ঘামান না। তবে প্রাচীন বাস্তুশাস্ত্র (Vastu Shastra) অনুযায়ী দরজার দিকে পা রেখে ঘুমনো ক্ষতিকর। শুধু আমাদের দেশেই নয়, বিশ্বের বহু পাশ্চাত্য দেশেও এই অভ্যাসকে অত্যন্ত অশুভ মনে করা হয়। প্রাচীন বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ঘরের দরজা কেবল মানুষের যাতায়াতের পথ নয়, এটি আসলে মহাজাগতিক শক্তির মূল প্রবাহ কেন্দ্র। এই প্রবেশপথ দিয়েই ঘরে ইতিবাচক শক্তির আগমন ঘটে। এমতাবস্থায় ঘুমের সময় যদি কারও পা সরাসরি দরজার দিকে তাক করে থাকে, তবে সেই শক্তির তীব্র ধাক্কা সোজাসুজি এসে আঘাত করে মানব শরীরে।

হিন্দু রীতিতে ঘরের প্রধান প্রবেশপথকে দেবতাদের পথ হিসেবে গণ্য করা হয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, দরজার দিকে পা রাখা মানে ঈশ্বরের প্রতি একপ্রকার অবমাননা প্রদর্শন করা। এই নিয়মটির পেছনে শুধু ধর্মীয় ঐতিহ্য নয়, বরং আধুনিক বিজ্ঞানের এক গভীর যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যাও জড়িয়ে রয়েছে। স্বাস্থ্যগত দিক থেকে বিচার করলে দেখা যায় যে, দরজার পাশ দিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষের চলাচল, ঘরের আলো বা বাতাসের হঠাৎ পরিবর্তন ঘুমের গভীরতা ও গুণমান নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। দরজার দিকে পা করে শুলে মানুষের অবচেতন মন পুরোপুরি শান্ত হতে পারে না, যার ফলে গভীর ঘুমের দফারফা ঘটে। পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে এই শোওয়ার ভঙ্গিটিকে ‘কফিন পজিশন’ (Coffin Position) বা লাশের অবস্থান বলা হয়। কারণ প্রাচীন কালে মৃতদেহ ঘর থেকে বের করার সময় তার পা দরজার দিকে রাখা হত। সেই আদিম অবচেতন স্মৃতি ও মনস্তাত্ত্বিক ভয় থেকেই মূলত এই ধারণার জন্ম হয়েছে যে, দরজার দিকে পা রাখা মানেই জীবনে কোনও বড়সড় অশুভ ঘটনা ঘটতে চলেছে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *