www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

March 30, 2026 12:43 pm

ভারতের ধৰ্মীয় ইতিহাসে চানক্য 'মহামতি' বিশেষনে ভূষিত।

ভারতের ধৰ্মীয় ইতিহাসে চানক্য ‘মহামতি’ বিশেষনে ভূষিত। তাঁর প্রবল জ্ঞান ও বিচারের ক্ষমতা দিয়ে তিনি এমন কিছু কথা বলে গেছিলেন, যা এখনও সম্পূর্ণ প্রাসঙ্গিক। চাণক্য নীতি’ কেবল রাজনীতির পাঠ দেয় না, বরং দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে পদে পদে সতর্ক করে। আচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, আমাদের আশেপাশে এমন কিছু ব্যক্তি বা বস্তু রয়েছেন যাঁদের শরীরের কোনও অংশে পা লাগানো বা পা দিয়ে স্পর্শ করা ঘোরতর পাপ ও দুর্ভাগ্যের কারণ। এমনকী ভুলবশত পা লেগে গেলেও তৎক্ষণাৎ ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত, নচেৎ জীবনে নেমে আসতে পারে ঘোর অন্ধকার। ২০২৬-এর এই আধুনিক যুগে দাঁড়িয়েও চাণক্যের এই অনুশাসনগুলি সামাজিক শৃঙ্খলার জন্য আজও সমভাবে প্রাসঙ্গিক।

১) চাণক্য নীতির বর্ণনা অনুযায়ী, অগ্নি বা আগুনকে কখনও পা দিয়ে স্পর্শ করা উচিত নয়। হিন্দু ধর্মে অগ্নিকে দেবতা হিসেবে পুজো করা হয়, তাই তাকে পা লাগানো মানে দেবতাদের অপমান করা। একইভাবে শিক্ষক বা গুরুজনদের পা ছোঁয়ানো অনুচিত।

২) ভারতীয় সংস্কৃতিতে গুরু হলেন ঈশ্বরের রূপান্তর, তাই তাঁদের চরণে প্রণাম করাই দস্তুর, আঘাত নয়। পাশাপাশি, শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। তাঁদের অগাধ জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখতে পা দিয়ে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আচার্য।

৩) কুমারী কন্যা বা ছোট শিশুদের পা লাগানো অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়, কারণ তাঁদের মধ্যে দেবীশক্তির রূপ কল্পনা করা হয়।

৪) বাড়ির বড়দের আশীর্বাদ নিতে সবসময় তাঁদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করা উচিত, ভুল করেও যেন পা না লাগে।

৫) ভুলেও গোমাতার গায়ে পা দেওয়া উচিত না।

৬) চিকিৎসার দেবতা তথা বৈদ্য বা ডাক্তারদের প্রতিও সমপরিমাণ শ্রদ্ধা রাখা বাঞ্ছনীয়। তাদের গায়ে কখনো পা দেওয়া উচিত না।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *