www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

November 4, 2026 9:28 am

বাগেশ্বর বাবা যে বিতর্ক ভালোবাসে তা বেশ বোঝা গেছে। পুজোর আগে তিনি আমিষ নিরামিষ বিতর্ক তুলে বেশ সারা ফেলে দিয়েছিলেন।

বাগেশ্বর বাবা যে বিতর্ক ভালোবাসে তা বেশ বোঝা গেছে। পুজোর আগে তিনি আমিষ নিরামিষ বিতর্ক তুলে বেশ সারা ফেলে দিয়েছিলেন। আর এবার ‘রাম ও কৃষ্ণ’।দুর্গাপুজোর (Durga puja) কয়েকমাস আগে বাংলায় এসে আমিষ-নিরামিষ নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন। এর কয়েকমাস যেতে না যেতেই এবার শ্রীকৃষ্ণ আর রামের তুলনা করে ফের বিতর্ক উস্কেছেন বাগেশ্বর বাবা। পরক্ষণে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। এই আবহের মধ্যে এবার বাগেশ্বরকে তীব্র আক্রমণ বিধায়ক কুণাল ঘোষের। কুণাল ঘোষ বলেন, “শ্রীকৃষ্ণকে এইভাবে অপমান করার অধিকার বাগেশ্বরকে কে দিল?” এরপর বাগেশ্বরের পুরনো আমিষ-নিরামিষ প্রসঙ্গও উস্কে দিয়েছেন কুণাল। তিনি বলেন, “এর আগে বাঙালিদের কটূক্তি, এবার ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, ঈশ্বরের অপমানে মামলা হবে না?”

ভাইরাল ভিডিয়োতে বলতে শোনা যাচ্ছে, “তোমাদের ঠাকুরের সব ছবি দেখ। এদিকে ওদিকে তাকিয়ে আছে। তিনি দাঁড়ালেও তিন জায়গায় বেঁকে থাকেন। পা ক্রস করে দাঁড়ান। কোমর বেঁকে থাকে, ঘাড় বেঁকে থাকে। বেঁকে বাঁশি বাজান তিনি।” রামের ভঙ্গিমার তুলনা করে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, “আমাদের ঠাকুর সোজা দাঁড়ান, সোজা হাঁটেন, নামও সোজা। তোমাদের ঠাকুর দাঁড়ান বেঁকে, চলেন বেঁকে, তাকানও বেঁকে”। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাঁশি বাজানো তো সহজ, ধনুক ধরা সহজ ব্যাপার নয়। বিতর্কের পর ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, “আমি নিজে কৃষ্ণের ভক্ত। আমি শ্রীকৃষ্ণের গুনগান গাই। আমি রাম ও কৃষ্ণের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চাইনি। বাঁশি নিয়ে আমি একটি জনপ্রিয় কথার ব্যাখ্যা করছিলাম। সেটাই সবাই ভুল বুঝেছে। রাম ও কৃষ্ণ তো আসলে একই।”

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *