এটাও আসলে এক ধরনের বর্ণবিদ্বেষ। আর সেই বর্ণবিদ্বেষ প্রকাশ পেল মার্কিন মুলুকে। মাসকয়েক আগে অপমান করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের নেতা। এবার ভগবান হনুমানকে তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েন বলে কটাক্ষ করলেন এক মার্কিন সমাজকর্মী। হনুমান মূর্তির ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে কার্লোস তুরকিওস নামে ওই সমাজকর্মীর কটাক্ষ, ‘তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েনরা আমেরিকা দখল করে নিচ্ছে’। তবে ওই সমাজকর্মীকে পালটা দিতে ভোলেননি আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। বিতর্কের সূত্রপাত টেক্সাসের একটি হনুমান মূর্তি ঘিরে। ২০২৪ সালে উন্মোচন করা হয়েছিল টেক্সাসের এই হনুমানমূর্তি। আমেরিকার উচ্চতম হিন্দু মূর্তিগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। সবমিলিয়ে আমেরিকার তৃতীয় উচ্চতম মূর্তি এটি। কিন্তু ট্রাম্পের জমানায় আচমকাই এই মূর্তিকে বারবার কটাক্ষ করা হচ্ছে।
গতবছর রিপাবলিকান নেতা আলেকজান্ডার ডানকান বলেন, ‘এক ভুয়ো হিন্দু দেবতার ভুয়ো মূর্তি, সেটা টেক্সাসে থাকার অনুমতি দেব কেন আমরা? আমরা তো খ্রিস্টান রাষ্ট্র।’ তাঁর মতে, খ্রিস্টান দেশে হিন্দু দেবতার মূর্তি থাকাই উচিত নয়। যদিও সাংবিধানিকভাবে বা সরকারিভাবে আমেরিকা খ্রিস্টান দেশ নয়, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। সেদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক খ্রিস্টধর্ম পালন করেন। কিন্তু আবারও মার্কিন মুলুকে হিন্দু দেবতাকে কটাক্ষ করা হল। এক্স হ্যান্ডেলে কার্লোস নামে ওই সমাজকর্মী হনুমান মূর্তির ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, ‘এটা পাকিস্তানের ইসলামাবাদ বা ভারতের নয়াদিল্লি নয়। এটা টেক্সাস। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েনরা এসে টেক্সাস আর আমেরিকা দখল করে নিচ্ছে। কেন এই মূর্তিটা আমেরিকার তৃতীয় উচ্চতম মূর্তির তকমা পাবে? এই আগ্রাসন বন্ধ হোক।’
