www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

October 21, 2026 4:09 pm

দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুর্গাপূজা যেন এক টুকরো বাংলাকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ।

দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুর্গাপূজা যেন এক টুকরো বাংলাকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ। শরতের আকাশ, ঢাকের বাদ্যি, মন্ত্রোচ্চারণ, পুষ্পাঞ্জলি আর মায়ের আরাধনায় প্রবাসী বাঙালির হৃদয়ে জেগে ওঠে শিকড়ের টান। পুজোর ক’টা দিন আগাগোড়া বাঙালিয়ানায় মোড়া থাকে বিদেশি পাড়া। বাঙালিয়ানা মাল্টিকালচার ক্রাইস্টচার্চে এর দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলা। সুদূর কলকাতা থেকে সাত সমুদ্র পেরিয়ে সপরিবারে মা পৌঁছে যান নিউজিল্যান্ড। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আড্ডা ও পুজোর ভোগ—সব মিলিয়ে প্রবাসের মাটিতে তৈরি হয় এক টুকরো বাংলার আবহ।

নিউজিল্যান্ডের গার্ডেন সিটি ক্রাইস্টচার্চে মহাসমারোহে পালিত হল বাঙ্গালিয়ানা মাল্টিকালচারাল ক্রাইস্টচার্চের ষষ্ঠ বর্ষের দুর্গোৎসব। এবারের প্রধান আকর্ষণ ছিল নিউজিল্যান্ডের সর্ববৃহৎ বলে বিবেচিত দুর্গাপ্রতিমা, যা কলকাতার শিল্পীদের ছয় মাসের পরিশ্রমে নির্মিত হয়ে প্রায় তিন মাসের সমুদ্রযাত্রা শেষে ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছায়। নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭৫০-এরও বেশি অতিথি এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। উৎসবে ছিল ১৪টি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য শ্রীলঙ্কান ও ফিলিপিনো নৃত্য, কথক, ভরতনাট্যম, ভাংড়া, আফ্রিকান শিল্পীদের কলকাতার ঢাকের ছন্দে পরিবেশনা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এক মহিলার নেতৃত্বে ধুনুচি নাচ। ভারতের মায়াপুর থেকে আগত পুরোহিতের পৌরোহিত্যে সম্পন্ন হয় পূজার আচার-অনুষ্ঠান।এই উৎসব একদিকে যেমন পুরনো প্রজন্মকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় শৈশবের স্মৃতিতে, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গৌরব। নানা দেশের মানুষের অংশগ্রহণে দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতির এক সুন্দর উদাহরণ।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *