www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

October 13, 2026 2:51 pm

বনি কৌশনীর মধ্যে কি বিচ্ছেদ দেখা দিচ্ছে? এমন প্রশ্ন উঠে গেছে? ২০১৫ সালে ‘পারবো না আমি ছাড়তে তোকে’ ছবির সেট থেকে শুরু হওয়া তাঁদের প্রেম আজ প্রায় এক দশকের পথে।

বনি কৌশনীর মধ্যে কি বিচ্ছেদ দেখা দিচ্ছে? এমন প্রশ্ন উঠে গেছে? ২০১৫ সালে ‘পারবো না আমি ছাড়তে তোকে’ ছবির সেট থেকে শুরু হওয়া তাঁদের প্রেম আজ প্রায় এক দশকের পথে। তবে সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে ফিসফাস শুরু হয়েছিল, সম্পর্কে নাকি ফাটল ধরেছে! অন্য কারও প্রতি মন ভিজেছে নাকি নায়িকার—এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। তবে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে এবার এক ছাদের তলায় থাকার বার্তা দিলেন এই রিয়েল লাইফ জুটি। পুজোয় মুক্তি পেতে চলা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ছবি ‘বহুরূপী’র সাফল্যে এবং বিশেষ করে কৌশানি ও শিবপ্রসাদের অনস্ক্রিন রসায়নে মজেছে দর্শক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কৌশানি স্পষ্ট জানান, পর্দায় তাঁদের জুটির জনপ্রিয়তা কাজেরই একটা ইতিবাচক দিক। আর পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা বনি রসিকতা করে বলেন, “রিয়েল লাইফের ময়দামুখো আর রিল লাইফের ময়দামুখো আলাদা হতেই পারে! তবে দিনের শেষে রিয়েল লাইফের ময়দামুখোকেই কাছে ফিরতে হবে।”

বিচ্ছেদের খবর নিয়ে কানাকানি শুরু হতেই বাড়িতে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল? হাসতে হাসতে কৌশানি জানান, এ সব দেখে তাঁর বাবাও মাঝে মাঝে মজা করে জানতে চান, “কী রে, কবে হল এটা, আমায় জানালি না তো!” অভিনেত্রীর মতে, যেকোনও সম্পর্কেই বোঝাপড়ার ঘাটতি বা ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে সম্পর্কে ইতি টেনে দিতে হবে। সব সমস্যার সমাধান খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব। আপাতত তাঁদের পুরো ফোকাস আসন্ন পুজো এবং একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোর ওপর। বনি-কৌশানির এই দীর্ঘ সম্পর্কে দুই পরিবারের সায় রয়েছে বহু আগেই। বনি সেনগুপ্তর মা পিয়া সেনগুপ্ত যেমন পরম আদরে আগলে রেখেছেন কৌশানিকে, তেমনই কৌশানির বাড়ির লোকও তাঁদের বিয়ের কথা জানেন। তবে দুজনেরই কেরিয়ারের গ্রাফ এখন ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বিয়ের তাড়া নেই কোনও পরিবারেই। গুঞ্জন যতই ডালপালা মেলুক না কেন, বনি ও কৌশানির বন্ডিং প্রমাণ করে দিল যে—ভালোবাসার গাড়ি ছুটছে একেবারে ঠিক পথেই।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *