www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

August 9, 2026 9:40 am

মানুষের রুচি কত দিকে প্রবাহিত হয় তার ঠিক নেই। মানুষের শখ, রুচি, ভাবনা খুবই বৈচিত্রময়।

মানুষের রুচি কত দিকে প্রবাহিত হয় তার ঠিক নেই। মানুষের শখ, রুচি, ভাবনা খুবই বৈচিত্রময়। এবার সামনে এসেছে উত্তরা খান্ডের মেয়ে রেণু ধরিয়াল। এ যেন রূপকথার গল্পের এলোকেশী রাপুনজেল! দুর্গের জানলার কাছে গিয়ে চুলের ঢেউ নামিয়ে দিলে তা মাটি ছুঁয়ে যাবে! বাস্তবে তাঁর নাম অবশ্য রেণু ধরিয়াল, বাড়ি উত্তরাখণ্ড। তাঁর দীর্ঘ কেশরাশির জন্য রেণুর নাম উঠে এসেছে গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ। ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল উত্তরাখণ্ডের হালদোয়ানিতে তাঁর চুলের দৈর্ঘ্য মাপা হয় এবং এরপরই তিনি এই বিশ্বরেকর্ডের স্বীকৃতি পান।নতুন রেকর্ড অনুযায়ী, তাঁর চুলের দৈর্ঘ্য ২৭১.৫০ সেন্টিমিটার, অর্থাৎ প্রায় ৮ ফুট ১০ ইঞ্চি। রেণুর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রায় এক দশকের ধৈর্য ও নিয়মিত পরিচর্যা। সূত্র জানায়, তিনি ২০১৫ সাল থেকে চুল বড় করার দিকে বিশেষভাবে মন দেন।

বছরের পর বছর চুল না কেটে এবং নিয়মিত যত্ন নিয়ে শেষ পর্যন্ত চুলের এমন দৈর্ঘ্য লাভ করেছেন, যা তাঁকে আন্তর্জাতিক রেকর্ডের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে। এর আগে পর্যন্ত সবচাইতে লম্বা চুলের নারী হওয়ার রেকর্ড ছিল ইউক্রেনের আলিয়া নাসিরোভার দখলে। ২০২৪ সালে তাঁর চুলের দৈর্ঘ্য ২৫৭.৩৩ সেন্টিমিটার বা ৮ ফুট ৫.৩ ইঞ্চি মাপা হয়েছিল। রেণুর চুল সেই রেকর্ডের তুলনায় প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা। রেণুর চুলের বিশেষত্ব কেবল দৈর্ঘ্যে নয়, এত লম্বা চুল সুস্থ রাখার জন্য তিনি যে নিয়মিত পরিচর্যা করেন, তাও রীতিমতো উল্লেখযোগ্য। সূত্র মতে, তিনি চুলের যত্নে মূলত প্রাকৃতিক ও ভেষজ উপাদানই ব্যবহার করেন। আমলকী ও অ্যালোভেরার মতো উপাদান তাঁর হেয়ারকেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এমন এলোকেশের পরিচর্যা তো আর সহজ নয়। চুল ধোয়া, শুকানো, আঁচড়ানো এবং তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে প্রতিদিনই বিপুল সময় ব্যয় হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *