www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

July 25, 2026 1:08 pm

মহাপ্রভু চৈতন্য দেবকে নিয়ে কলকাতায় গড়ে উঠল আরো একটি গবেষণা কেন্দ্র।

মহাপ্রভু চৈতন্য দেবকে নিয়ে কলকাতায় গড়ে উঠল আরো একটি গবেষণা কেন্দ্র। আসল কথা হল, মহাপ্রভু চৈতন্যদেব এমন একজন ব্যক্তিত্ব তাকে নিয়ে গবেষণা কখনই শেষ হয় না। শ্রীচৈতন্যদেবের ভাবধারা ও বৈষ্ণব দর্শনের প্রাচুর্যকে বিশ্বমঞ্চে নতুন রূপ দিতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ ও ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের যৌথ প্রয়াসে মোতিলাল নেহরু রোডে গড়ে উঠল ‘ভক্তিবেদান্ত ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর চৈতন্য বৈষ্ণব স্টাডিজ’। ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এ. সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই বিশেষ উপকেন্দ্রের সূচনা। উপকেন্দ্রটির শুভ উদ্বোধন করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক (ড.) আশুতোষ ঘোষ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক (ড.) মৌ দাশগুপ্ত, কেন্দ্রের অধিকর্তা অধ্যাপক (ড.) কমল কিশোর মিশ্র এবং ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের ডিন ড. সুমন্ত রুদ্র।

উপাচার্য জানান, বৈষ্ণব সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চাকে বিশ্বজুড়ে আরও সুসংহত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। প্রাচীন পুঁথি সংরক্ষণ, বিশ্বমানের গবেষণা ও নথিপত্র প্রকাশের জন্য এটি একটি আদর্শ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। ড. কমল কিশোর মিশ্রের মতে, প্রবাসী ভারতীয় সমাজে গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে নতুন গবেষণার দিগন্ত খুলে দেবে এই কেন্দ্র। দেশ-বিদেশের গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে এই প্ল্যাটফর্ম আগামী দিনে মেলবন্ধনের এক অনন্য ঠিকানা হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী ড. সুমন্ত রুদ্র। প্রাতিষ্ঠানিক এই উদ্যোগ শ্রীচৈতন্য চর্চায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *