www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

April 28, 2026 11:21 am

সনাতন হিন্দু ধর্মে 'হনুমান চলিশা'র বিশেষ গুরুত্ব আছে। ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা অনেকেই হনুমান চলিশা পাঠ করে থাকেন

সনাতন হিন্দু ধর্মে ‘হনুমান চলিশা’র বিশেষ গুরুত্ব আছে। ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা অনেকেই হনুমান চলিশা পাঠ করে থাকেন। যুগ যুগ ধরে প্রচলিত বিশ্বাস যে, নিয়মিত হনুমান চালিশা পাঠ করলে জীবন থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর হয়, ভয় নির্মূল হয় এবং আত্মবিশ্বাস এক অভাবনীয় উচ্চতায় পৌঁছায়। আর এই কারণেই ঘোর বিপদের মুহূর্তে অগুনতি মানুষ প্রথমেই হনুমান চালিশার শরণাপন্ন হন। কেন এই পাঠকে সংকটমুক্তির অমোঘ কবচ বলা হয়? আসুন জেনে নিই। হনুমান চালিশা হিন্দুধর্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী স্তোত্র, যার রচয়িতা মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাস। মাত্র ৪০টি চৌপাই বা পঙক্তির মাধ্যমে ভগবান হনুমানের অসীম বল, বুদ্ধি, ভক্তি এবং বীরত্বের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এখানে। ভক্তদের মতে, এর নিয়মিত পাঠ জীবনে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার করে এবং মানুষকে সকল প্রকার বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করে।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, হনুমান চালিশার পাঠ একটি অদৃশ্য সুরক্ষা কবচের মতো কাজ করে। যখন কোনো ব্যক্তি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সাথে এই স্তোত্র উচ্চারণ করেন, তখন তাঁর চারদিকে এক ইতিবাচক বলয় তৈরি হয়, যা অশুভ বা নেতিবাচক শক্তিকে দূরে রাখে। এই কারণেই একে ‘আধ্যাত্মিক কবচ’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। প্রচলিত আছে যে, তুলসীদাস যখন কারাগারে বন্দি ছিলেন, তখন তিনি এটি রচনা করেছিলেন এবং এই পাঠের অলৌকিক শক্তিতেই তিনি সমস্ত সংকট থেকে মুক্তি পান।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *