www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

April 4, 2026 12:35 pm

মনকে নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখা এখন মানুষের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ।

মনকে নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখা এখন মানুষের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আর সেই কাজটা করতে পারলেই মানুষের মন অনেকটাই আধ্যাত্মিক পথে এগিয়ে যায়। এই বিষয়ে জ্যোতিষের পরামর্শ হল –

  • সারাদিন তো অনেক কথাই বলেন, কিন্তু নিজের মনের কথা শোনার সময় পান কী? তাই দিনে অন্তত ১০ মিনিট সব কাজ থামিয়ে একদম চুপচাপ এক জায়গায় বসুন। এই নিস্তব্ধতা আপনার মনের সব জট খুলতে সাহায্য করবে এবং ভেতর থেকে শান্তি দেবে।
  • যা নেই, তা নিয়ে সারাক্ষণ দুঃখ করেন অনেকে; কিন্তু যা আছে তার কথা ভাবেন কজন? প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত তিনটে ভালো জিনিসের কথা ভাবুন যা আপনার আছে। এই ছোট অভ্যাসটি আপনার মনের না-পাওয়াগুলো কমিয়ে ইতিবাচক শক্তি বাড়িয়ে দেবে।
  • বেশিরভাগ মানুষই পুরনো দিনের কথা ভেবে কষ্ট পান, নয়তো ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন। চেষ্টা করুন এই মুহূর্তে আপনি যা করছেন—খাওয়া, হাঁটা বা কাজ—তাতেই মন দিতে। বর্তমানে বাঁচতে শিখলে মন অনেক হালকা হয় এবং অকারণ দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়।
  • মাঝে মাঝে ফোন বা ল্যাপটপ সরিয়ে রেখে একটু প্রকৃতির কাছে যান। গাছের ছায়ায় বসা বা খোলা আকাশের নিচে কিছুক্ষণ হাঁটলে মন এমনিতেই শান্ত হয়। প্রকৃতি আমাদের শেখায় কীভাবে শান্ত থেকে নিজের কাজ গুছিয়ে নিতে হয়।
  • যখনই খুব অস্থির লাগবে বা রাগ হবে, লম্বা লম্বা শ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে ছাড়ুন। শ্বাস-প্রশ্বাসের এই সাধারণ ব্যায়ামটি আপনার স্নায়ুকে মুহূর্তেই শান্ত করে দিতে পারে।শরীর আর মনের মধ্যে সংযোগ তৈরি করার এর চেয়ে সহজ উপায় আর নেই।
  • সোশ্যাল মিডিয়ার ভিড়ে অনেক সময় আজেবাজে জিনিস দেখে সময় নষ্ট করেন। তার বদলে প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট কোনও ভালো বই পড়ুন বা মহাপুরুষদের কথা শুনুন। ভালো চিন্তা আপনার মনের ভেতরের অন্ধকার কাটিয়ে আলোর পথ দেখাবে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *