জীবন মানে তো শুধু বেঁচে থাকা নয়, শান্তিতে বেঁচে থাকা। জীবন থেকে নেগেটিভ শক্তি দূর করে পজিটিভ শক্তিকে আনতে হলে ফেংশুইয়ের কয়েকটি নির্দেশ মেনে চলুন।
- কই’ মাছ – ফেংশুইতে সমৃদ্ধির সবচেয়ে বড় প্রতীক হল ‘কই’ মাছ। তবে আমাদের চেনা দেশি কই নয়, এগুলো দেখতে অনেকটা সোনালি রঙের গোল্ডফিশের মতো, যাকে বলা হয় ‘কোই কার্প’। বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে বা ড্রয়িং রুমে এই মাছের ছবি কিংবা শো-পিস রাখা অত্যন্ত শুভ। যদি বাড়িতে জ্যান্ত মাছ রাখার মতো অ্যাকোয়ারিয়াম করার জায়গা না থাকে, তবে দেওয়ালে এই মাছের সুন্দর কোনও ছবি লাগাতে পারেন। বিশ্বাস করা হয়, এটি আটকে যাওয়া টাকা ঘরে ফিরিয়ে আনে।
- ওয়েলথ শিপ’
আগের দিনে বণিকরা যে ধরনের বাণিজ্যতরী নিয়ে ব্যবসা করতে যেতেন, সেই আদলে তৈরি ছোট জাহাজ আপনার ভাগ্য বদলে দিতে পারে। তবে একটা বিশেষ নিয়ম মাথায় রাখতে হবে— জাহাজের মুখ যেন সবসময় আপনার ঘরের ভেতরের দিকে থাকে। এর অর্থ হল সম্পদ আপনার ঘরে প্রবেশ করছে। উজ্জ্বল সোনালি রঙের পাল তোলা জাহাজ আপনার কেরিয়ার ও ব্যবসায়িক শ্রীবৃদ্ধিতে ঝড়ের গতিতে সাহায্য করবে।
- হাতি ও ড্রাগন
ঘরকে সুরক্ষিত রাখতে এবং পরিবারে স্থায়িত্ব বজায় রাখতে হাতি বা ড্রাগনের জুড়ি মেলা ভার। বিশেষ করে কাঠের বা ধাতুর তৈরি জোড়া হাতির মূর্তি যদি ঘরের মূল দরজার দিকে মুখ করে রাখা যায়, তবে অশুভ শক্তি ভেতরে ঢুকতে পারে না। আবার কেরিয়ারে বড় কোনও সাফল্যের জন্য উড়ন্ত ঘোড়া বা ফিনিক্স পাখির ছবি আপনার ড্রয়িং রুমে রাখতে পারেন, যা সাফল্যের নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলে জানাচ্ছে চিনা বাস্তুশাস্ত্র বা ফেংশুই।
- বহমান জল ও ঝরনা
ফেংশুই মতে, বহমান জল মানেই হল বহমান সম্পদ। ঘরের দেওয়ালে যদি কোনও ঝরনা বা নদীর ছবি রাখেন, তবে তা আপনার মনকে শান্ত রাখার পাশাপাশি নেতিবাচক শক্তিকেও ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়। তবে খেয়াল রাখবেন, ছবির জল যেন আপনার ঘরের দরজার দিকে প্রবাহিত না হয়, বরং তা যেন ঘরের ভেতরের দিকে থাকে। উত্তর দিকে এমন ছবি রাখা কেরিয়ারের উন্নতির জন্য সেরা।
- সোনালি পাহাড়
চাকরি বা কর্মক্ষেত্রে যদি বারবার বাধার সম্মুখীন হতে হয়, তবে আপনার বসার জায়গা বা চেয়ারের ঠিক পেছনের দেওয়ালে একটি সোনালি পাহাড়ের ছবি লাগান। এটি স্থিতিশীলতা এবং পাহাড়ের মতো শক্ত সমর্থনের প্রতীক। এটি আপনাকে আর্থিক নিরাপত্তা দেবে এবং কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির পথ প্রশস্ত করবে।
