শীত প্রায় শেষ। বসন্ত দরজায় উঁকি মারছে। আপনারও হয়তো মনটা একটু কেমন কেমন করছে। তারমধ্যে আবার সামনেই ‘প্রেমের সপ্তাহ’! এই বিষয়ে একটা বিশ্বাস প্রচলিত যে চেন্নাইয়ের নিত্যকল্যাণ পেরুমাল মন্দিরে পুজো দিলেই পাওয়া যাবে মনের মানুষ। চেন্নাইয়ের থিরুভিডান্ডাইয়ের ওই মন্দির প্রায় শতাব্দী প্রাচীন। এই মন্দিরটি বরাহ অবতারকে উৎসর্গীকৃত। পূজিত হন বিষ্ণুদেব। পল্লব রাজাদেক আমলে এই মন্দির তৈরি হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কথিত আছে, সাগা কালাভার ৩৬০টি কন্যা ছিল। যাঁরা একদিন করে বরাহ অবতারকে বিয়ে করতেন । আর সেই অনুযায়ী স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, এই মন্দিরে পুজো দিলেই নাকি মিলবে মনের মতো সঙ্গী।
কেউ কেউ বলেন, এই মন্দিরে কেউ পুজো দিলে তাঁর অভ্যন্তরীণ নেতিবাচক শক্তির বিনাশ ঘটবে। তার ফলে ইতিবাচক শক্তিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠবেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ইতিবাচকতা সকলকে আকর্ষণ করবে। আর সহজেই আপনি হয়ে উঠবেন সকলের কাছের। তবে যেভাবে সেভাবে মন্দিরে পুজো করলেই হবে না। মন্দিরে পুজো দেওয়ার রয়েছে কিছু রীতি। তা মানতে পারলে তবেই নাকি মনের মানুষ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে বলেই মনে করেন স্থানীয়রা। পুজো দেওয়ার জন্য দু’টি মালা লাগবেই। পুজো দেওয়ার পর একটি মালা থাকবে দেবতার গলায়। আরেকটি মালা নিয়ে বাড়ি ফিরবেন পুণ্যার্থীরা। ওই মালাটিকে যত্ন করে রেখে দিতে হবে। ওই মালার অবহেলা হলেই সর্বনাশ। শুধু তাই নয় দাম্পত্য সুখের আশাতেও অনেকে এই মন্দিরে আসেন। দু’জনে একসঙ্গে পুজো দেন। মন্দির চত্বরে থাকা পবিত্র পুন্নাই গাছে মালা দেন।