১২ জানুয়ারী সারা দেশ জুড়ে পালিত হল স্বমীজীর ১৬৩ জন্মদিবস। তারই অঙ্গ বিসাবে মহামানব স্বামীজিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করলেন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা।
- বিবেকানন্দ স্মরণে মোদী
প্রধানমন্ত্রী মোদী এক্স-এ লিখেছেন, “ভারতের যুবশক্তির অনুপ্রেরণার শক্তিশালী উৎস স্বামী বিবেকানন্দকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কাজ উন্নত ভারতের সংকল্পে ক্রমাগত নতুন শক্তি যোগাচ্ছে। আমার কামনা, জাতীয় যুব দিবসের এই পবিত্র উৎসব সমস্ত দেশবাসী, বিশেষ করে আমাদের তরুণ সঙ্গীদের জন্য নতুন শক্তি এবং নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে আসুক।” - বিবেকানন্দ স্মরণে রাষ্ট্রপতি –
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও এই আধ্যাত্মিক গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে তাঁর “শিক্ষা মানবতাকে অনুপ্রাণিত করতে থাকবে।” রাষ্ট্রপতি এক্স-এ লিখেছেন, “জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালিত স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে আমি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। একজন কালজয়ী দূরদর্শী এবং আধ্যাত্মিক প্রতীক হিসেবে তিনি প্রচার করেছিলেন যে আত্মিক শক্তি এবং মানবতার সেবাই একটি অর্থপূর্ণ জীবনের ভিত্তি। তিনি ভারতের শাশ্বত জ্ঞানকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়েছিলেন। স্বামীজি ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয় গর্ব জাগিয়ে তুলেছিলেন এবং যুব সমাজকে দেশ গঠনে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তাঁর শিক্ষা মানবতাকে অনুপ্রাণিত করতে থাকবে।” - বিবেকানন্দ স্মরণে অমিত শাহ
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং যুব ক্ষমতায়ন ও সমাজসেবায় স্বামী বিবেকানন্দের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন। এক্স-এ একটি পোস্টে অমিত শাহ লিখেছেন, “স্বামী বিবেকানন্দ জির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই এবং ‘জাতীয় যুব দিবস’-এ দেশের সকল নাগরিককে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। স্বামী বিবেকানন্দ জি, যিনি দেশের যুব সমাজকে জ্ঞান, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতার ভারতীয় ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত করেছিলেন এবং এর প্রচার বিশ্ব মঞ্চে নিয়ে গিয়েছিলেন, তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের মাধ্যমে সমাজসেবার আদর্শও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। লক্ষ্য অর্জনের আগে না থামার বার্তা দেওয়া স্বামীজির চিন্তাভাবনা যুবকদের মধ্যে কর্তব্যবোধ ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলছে এবং একটি উন্নত ভারত নির্মাণকে ত্বরান্বিত করছে।”
