হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস মকর সংক্রান্তির দিনটি খুবই পবিত্র। এই দিনে মানুষের পুণ্যলাভ হয়, যদি তিথি নক্ষত্র মেনে স্নান করা যায়। সনাতন ধর্মে উত্তরায়ণ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিথি। পঞ্জিকা মতে, ২০২৬ সালে সূর্য ধনু রাশি ত্যাগ করে মকর রাশিতে প্রবেশ করবে ১৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার। শাস্ত্রানুসারে, এই বিশেষ সন্ধিক্ষণে গঙ্গা স্নান এবং দান-ধ্যান করলে কয়েক গুণ বেশি পুণ্যফল লাভ হয়। কিন্তু প্রশ্ন হল, ঠিক কোন সময়টি স্নানের জন্য শ্রেষ্ঠ? জ্যোতিষশাস্ত্রে সূর্যের মকর রাশিতে প্রবেশের পর একটি নির্দিষ্ট সময়কে ‘পুণ্যকাল’ বলা হয়।
২০২৬ সালের গণনার ভিত্তিতে স্নানের সময়সূচী নিম্নরূপ:
- মকর সংক্রান্তি তিথি: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ (বাংলা ১ মাঘ ১৪৩২)।
- মহাপুণ্যকাল (সবচেয়ে শুভ সময়): ১৫ জানুয়ারি ভোর থেকে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এই সময় স্নান করা শাস্ত্র মতে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ।
- সাধারণ পুণ্যকাল: ১৫ জানুয়ারি সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পুরো দিনটিই স্নান ও দানের জন্য প্রশস্ত। তবে ভোরের স্নানকে আধ্যাত্মিক দিক থেকে সর্বাধিক ফলদায়ক মনে করা হয়। কেন এই সময়ে স্নান জরুরি?
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মকর সংক্রান্তির দিন দেবতারা মর্ত্যে আসেন এবং গঙ্গার পবিত্র জলে অবস্থান করেন। এদিন সূর্যদেব তাঁর পুত্র শনির ঘরে অতিথি হন, যা পিতা-পুত্রের মিলন তথা অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক। শাস্ত্রকারদের মতে, এই বিশেষ লগ্নে স্নান করলে:
জন্ম-জন্মান্তরের পাপ ধুয়ে যায়।
