www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

February 6, 2026 8:52 am

এটাও এক ধরনের গান্ধীনীতি।

এটাও এক ধরনের গান্ধীনীতি। আন্দোলনের এক নতুন কৌশল। দিনের পর দিন ট্রেন লেট। কয়েক মিনিটের নয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেট ট্রেন। তার ফলে যাত্রী ভোগান্তি লেগেই থাকে। নিত্যদিনের সমস্যায় বিরক্ত যাত্রীরা। শনিবার অভিনব প্রতিবাদ পুরুলিয়া-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের যাত্রীদের। জানা গিয়েছে, শুক্রবার পুরুলিয়া-হাওড়া এক্সপ্রেস বিকেল ৪টে ৫০ মিনিট নাগাদ হাওড়া থেকে ছাড়ার কথা ছিল। ট্রেন ছাড়ে ৭টা ১৫ মিনিটি। খড়্গপুর পৌঁছতে ৮ ঘণ্টার বেশি দেরি করে। ওই ট্রেনটি ওন্দাগ্রাম স্টেশনে পৌঁছয় ৮ ঘণ্টা ২৪ মিনিট দেরিতে। রাত ৮টা ১৭ মিনিটে যে ট্রেনটি ঢোকার কথা ছিল, সেটি ভোর ৪টে ৪১ মিনিটে ঢোকে। আবার হাওড়া থেকে পুরুলিয়াগামী হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেসও প্রায় ৩ ঘণ্টা দেরি করে। আর তাতেই বেজায় বিরক্ত যাত্রীরা।

তা সত্ত্বেও ‘গান্ধীগিরি’র মাধ্যমে অভিনব প্রতিবাদ করেন। ট্রেন বাঁকুড়ার ওন্দাগ্রাম স্টেশনে পৌঁছনোর পর চালককে গোলাপফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। মিষ্টিমুখও করানো হয় তাঁকে। এই ট্রেনটি করে হাওড়া থেকে পুরুলিয়া পর্যন্ত যাওয়া যায়। যা হাওড়া থেকে ছাড়ার পর মেদিনীপুর, খড়্গপুর থেকে মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, আদ্রা ছুঁয়ে যাতায়াত করে। যাত্রীদের দাবি, বছরখানেক ধরে এই ট্রেনটি সময়মতো চলে না। তার ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। তাঁদে অভিযোগ, কোনওদিন রাত ১১টা, আবার কোনওদিন রাত ১২টা। কিংবা কোনদিন ২টোর পর ট্রেন স্টেশনে পৌঁছচ্ছে। তার ফলে সমস্যায় পড়ছেন নিত্যযাত্রীরা। প্রতিদিন প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের জানিয়েও লাভ হয়নি কিছুই। সে কারণে এদিন প্রতিবাদে সরব হন যাত্রীরা।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *