www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

February 5, 2026 12:55 pm

বাগবজারে মহা ধুমধাম করে শুরু হয়ে গেছে ১২তম শ্রীচৈতন্য জন্মোৎসব ও মেলা।

বাগবজারে মহা ধুমধাম করে শুরু হয়ে গেছে ১২তম শ্রীচৈতন্য জন্মোৎসব ও মেলা। ভক্তি ও সমজিক মেলাবন্ধনে এলাকা হয়ে উঠেছে উৎসব মুখর। উত্তর কলকাতার বাগবাজারে গঙ্গার পাড়ে আবারও নামল ভক্তির জোয়ার। বুধবার থেকে বাগবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব প্রাঙ্গণে শুরু হল ১২তম শ্রীচৈতন্য জন্মোৎসব ও মেলা। গৌড়ীয় মিশন, বাগবাজারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান চলবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকা এখন এক টুকরো নবদ্বীপ। এ বছর ১২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজনে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মেলার প্রধান আকর্ষণ হল জাতীয় পর্যায়ের সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন বৈষ্ণব শাস্ত্রের পণ্ডিত, গবেষক ও সন্ন্যাসীরা। প্রতিদিন সেখানে মহাপ্রভুর প্রেম ধর্ম, বৈষ্ণব দর্শন এবং বর্তমান সমাজে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। শ্রীচৈতন্যদেবের মানবতাবাদী ভাবনার আধুনিক বিশ্লেষণ উঠে আসছে বিভিন্ন বক্তৃতায়।

মেলার সূচনা হয় বিশেষ পূজা, আরতি ও নগর সংকীর্তনের মাধ্যমে। বুধবার সকাল থেকেই সংকীর্তনের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে বাগবাজার চত্বর। খোল-করতালের শব্দে ভক্তিঘন পরিবেশ তৈরি হয়। সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বহু মানুষ পরিবার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন আরতি দর্শনে। মেলার মাঠ জুড়ে বসেছে হরেক রকম স্টল। কোথাও পাওয়া যাচ্ছে দুষ্প্রাপ্য ধর্মীয় গ্রন্থ, কোথাও বা তিলক-মালা ও ভক্তিমূলক সামগ্রী। প্রসাদের স্টলগুলিতেও রয়েছে মানুষের লম্বা লাইন। সন্ধ্যার আকাশ রঙিন হচ্ছে ভজন ও কীর্তনের সুরে। আধ্যাত্মিক আলোচনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেলার শোভা বাড়িয়েছে।গৌড়ীয় মিশনের আচার্য্য ও সভাপতি ভক্তি সুন্দর সন্নাসী মহারাজ বলেন, বর্তমানে সমাজে যখন বিভেদ মাথাচাড়া দিচ্ছে, তখন মহাপ্রভুর সাম্য ও প্রেমের বার্তা অত্যন্ত জরুরি।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *