তুলসী কাঠের কণ্ঠী বা মালা প্রধানত আধ্যাত্মিক সুরক্ষা, পবিত্রতা এবং ভগবান বিষ্ণু ও কৃষ্ণের প্রতি ভক্তি প্রদর্শনের জন্য পরিধান করা হয়। এটি ধারণ করলে মানসিক শান্তি আসে, নেতিবাচক শক্তি দূরে থাকে এবং মনে করা হয় যমদূত বা অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
তুলসী কাঠের কণ্ঠী ব্যবহারের প্রধান কারণসমূহ:
- আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় বিশ্বাস: তুলসী গাছকে পবিত্র মনে করা হয় এবং এটি দেবী লক্ষ্মীর প্রকাশ বলে বিশ্বাস করা হয়, যা পরলে বিষ্ণু বা কৃষ্ণের আশীর্বাদ পাওয়া যায়।
- সুরক্ষা ও ইতিবাচকতা: এটি শরীর ও মনকে শান্ত রাখে এবং নেতিবাচক শক্তি থেকে রক্ষা করে, যার ফলে জীবনে ইতিবাচকতা বৃদ্ধি পায় ।
- যমদূত থেকে রক্ষা: পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, যার গলায় তুলসী মালা থাকে, তাকে অকালে যমদূত স্পর্শ করতে পারে না ।
- পবিত্রতা: শুকনো তুলসী কাঠের মালা ধারণ করা শরীর ও আত্মাকে পবিত্র রাখে বলে মনে করা হয় ।
- স্বাস্থ্যগত উপকারিতা: ভেষজ গুণসম্পন্ন তুলসী গাছ বাত, কফ ও পিত্তের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং এটি ধারণ করলে শ্বাসযন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকতে পারে। বৈষ্ণব সম্প্রদায়, বিশেষ করে ইসকনের (ISKCON) অনুগামীরা তুলসী কণ্ঠী বেশি ব্যবহার করেন। এছাড়া এটি পরলে নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন করা প্রয়োজন, যেমন—মদ্যপান বা আমিষ আহার বর্জন করা।
