একদম সর্ব শক্তিদিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। শুধু নরেন্দ্র মোদী বা অমিত শাহ নয়, সেই তালিকায় আছে বহু না। প্রথমেই জ্বল জ্বল করছে যোগী আদিত্যনাথের নাম। ৩০টি কর্মসূচি ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর। সাযুজ্য রেখেই বঙ্গ বিজেপির চার্জশিট থেকে সংকল্পপত্র প্রকাশ, সবটাই হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর ডেপুটির হাত ধরে। আবার তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে শুভেন্দু অধিকারীকে বলেছিলেন বলে খবর। শুধু বলেই ক্ষান্ত নয়। শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পর্বে হাজিরও থাকলেন। এরইমধ্যে আবার জানিয়েও দিয়ে গেলেন ভোট বঙ্গে টানা ঘাঁটি গেড়ে বসার কথা। সাম্প্রতিক রাজনীতিতে অমিত শাহকে বারবার নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে লড়াইটা আর শুধু আর শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্যদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয় বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সেই লড়াই ক্রমশ নিজের কাঁধেই তুলে নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। তাঁর কর্মসূচি সাজানোতেই তা স্পষ্ট হচ্ছে বলে মত রাজনীতির কারবারিদের।
আপাতত স্থির যা হয়েছে প্রথম দফায় নরেন্দ্র মোদীর ১১টি কর্মসূচি রয়েছে। অমিত শাহর কর্মসূচির সংখ্যা সেখানে ৩০টি। আসছেন যোগী আদিত্যনাথও। রয়েছে একেবারে ১১টি কর্মসূচি। পাশাপাশি নীতিন নবীন থেকে রাজনাথ সিং, কেউই বাদ নেই। সূত্রের খবর, নীতিন নবীনের কর্মসূচির সংখ্যা ১০টি। রাজনাথ সিংয়ের ৬টি। নীতিন গডকরির কর্মসূচির সংখ্যা ২টি। জে পি নাড্ডার কর্মসূচির সংখ্যা ৬, মানিক সাহা ৯, হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ৮, মোহন চরণ মাঝি ৬, রেখা গুপ্তার সংখ্যা সেখানে ৫টি। ময়দানে আছেন কঙ্গনা রানাওয়াতও। তাঁর কর্মসূচির সংখ্যা ৭টি। স্মৃতি ইরানির কর্মসূচির সংখ্যা ১৩টি। এই কর্মসূচিগুলোর মধ্যে জনসভা এবং রোড শো রয়েছে। বিপ্লব কুমার দেবের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা সেখানে ৮টি। বাবুলাল মারান্ডির ক্ষেত্রে সংখ্যা ৪টি। অর্জুন মুণ্ডার ২ থেকে ৪। হেমা মালিনীর সেখানে একটি কর্মসূচি। বোঝাই যাচ্ছে প্রায় সারা ভারতকেই বিজেপি নিয়ে আসছেন বাংলায়।
