১৮৯৩ সালে শিকাগোতে বিশ্ব ধর্ম সংসদে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন যে হিন্দুধর্ম সহনশীলতা এবং সার্বজনীন ভ্রাতৃত্বের উপর ভিত্তি করে একটি ধর্ম। তিনি হিন্দুধর্মকে আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বৈজ্ঞানিক এবং আধ্যাত্মিক ধর্ম হিসাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন, যা এই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত যে প্রতিটি মানুষের মধ্যে ঈশ্বর বাস করেন। তিনি তার বক্তৃতায় “আমেরিকার ভাই ও বোনেরা” বলে সম্বোধন করে সবাইকে স্বাগত জানিয়েছিলেন এবং সবার মধ্যে একতা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছিলেন।
মূল বক্তব্য –
- সহনশীলতা ও সার্বজনীন ভ্রাতৃত্ব: স্বামী বিবেকানন্দ জোর দিয়েছিলেন যে হিন্দুধর্ম শুধু একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি সার্বজনীন ধারণা যা বিশ্বকে একতার সূত্রে বাঁধে।
- বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক ভিত্তি: তিনি বলেন যে, আধুনিক বিজ্ঞান এবং ধর্ম একে অপরের পরিপূরক। তিনি দাবি করেছিলেন যে বেদের আধ্যাত্মিক ধারণাগুলি আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
- ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যে সম্পর্ক: তাঁর মতে, প্রতিটি মানুষের দেহের মধ্যেই ঈশ্বর বিদ্যমান। যখন কেউ এই সত্য উপলব্ধি করতে পারে, তখন সে মুক্তি লাভ করে।
- ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশ্রণ: তিনি হিন্দুধর্মকে প্রাচীন ও আধুনিক জ্ঞানের এক মিশ্রণ হিসেবে উপস্থাপন করেন, যা আধুনিক বিশ্বের জন্য প্রাসঙ্গিক।
