www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

February 14, 2026 2:39 pm

হিন্দু ধর্মের মানুষের কাছে শিবরাত্রি খুবই পবিত্র তিথি

হিন্দু ধর্মের মানুষের কাছে শিবরাত্রি খুবই পবিত্র তিথি। হিন্দু মহিলারা অনেকেই পালন করেন ‘মহাশিবরাত্রিনিশা’। কিন্তু কেন এই রাতটিকে ‘মহা’ বা সর্বশ্রেষ্ঠ বলা হয়? এর নেপথ্যে লুকিয়ে আছে একাধিক রোমাঞ্চকর এবং শিক্ষামূলক পৌরাণিক কাহিনি।

মহাশিবরাত্রির সবচেয়ে প্রচলিত কাহিনি হল শিব ও শক্তির মিলন। দীর্ঘ কঠোর তপস্যার পর এই বিশেষ রজনীতেই হিমালয় কন্যা পার্বতী মহাদেবকে স্বামী হিসেবে লাভ করেছিলেন। বৈরাগী শিব ও সাংসারিক পার্বতীর এই বিয়ে আসলে আধ্যাত্মিক জগতের এক অনন্য সন্ধিক্ষণ। এটি প্রতীকীভাবে আমাদের বোঝায় যে, জগতের সৃষ্টির জন্য চেতনা (শিব) এবং শক্তি বা প্রকৃতির (পার্বতী) একত্র হওয়া অপরিহার্য। তাই আজও অবিবাহিত মেয়েরা এবং বিবাহিত মহিলারা সুখী দাম্পত্যের কামনায় এই রাতে শিব-পার্বতীর আরাধনা করেন। অন্য একটি জনপ্রিয় কাহিনী অনুসারে, সমুদ্র মন্থনের সময় যখন মারণ বিষ ‘হলাহল’ উঠে আসে, তখন দেব-দানবসহ গোটা সৃষ্টি ধ্বংসের মুখে পড়ে। পৃথিবীকে রক্ষা করতে সেই ভয়ংকর বিষ স্বেচ্ছায় পান করেন দেবাদিদেব। বিষের জ্বালায় তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে যায়, যার ফলে তিনি ‘নীলকণ্ঠ’ নামে পরিচিত হন। মনে করা হয়, শিবের শরীরের সেই তীব্র জ্বালা প্রশমিত করতেই ভক্তরা সারা রাত জেগে তাঁকে শীতল জল ও দুগ্ধ দিয়ে অভিষেক করেন। এই কাহিনীটি আমাদের শেখায়— অন্যের মঙ্গলের জন্য কষ্ট সহ্য করাই হলো প্রকৃত দেবত্ব। অন্য একটি জনপ্রিয় কাহিনী অনুসারে, সমুদ্র মন্থনের সময় যখন মারণ বিষ ‘হলাহল’ উঠে আসে, তখন দেব-দানবসহ গোটা সৃষ্টি ধ্বংসের মুখে পড়ে। পৃথিবীকে রক্ষা করতে সেই ভয়ংকর বিষ স্বেচ্ছায় পান করেন দেবাদিদেব। বিষের জ্বালায় তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে যায়, যার ফলে তিনি ‘নীলকণ্ঠ’ নামে পরিচিত হন। মনে করা হয়, শিবের শরীরের সেই তীব্র জ্বালা প্রশমিত করতেই ভক্তরা সারা রাত জেগে তাঁকে শীতল জল ও দুগ্ধ দিয়ে অভিষেক করেন। এই কাহিনীটি আমাদের শেখায়— অন্যের মঙ্গলের জন্য কষ্ট সহ্য করাই হলো প্রকৃত দেবত্ব।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *