সামনেই শীতলা অষ্টমী। এই তিথিতে সারা বাংলা জুড়ে শীতলা মায়ের পুজো দেওয়া হয়। পালিত হয় নানা বিধি। বসন্তের বিদায় আর গ্রীষ্মের আগমনে যখন প্রকৃতির রূপ বদলায়, ঠিক তখনই বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হয় মা শীতলার আরাধনা। সনাতন ধর্মে রোগব্যাধি থেকে মুক্তি এবং পরিবারের মঙ্গল কামনায় শীতলা অষ্টমীর গুরুত্ব অপরিসীম। চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই অষ্টমী তিথিকে দেশজুড়ে ‘বাসোড়া’ নামেও ডাকা হয়। ২০২৬ সালে কবে পড়েছে এই পুণ্যতিথি? কী তার মাহাত্ম্য? পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৬ সালে চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি শুরু হচ্ছে ১১ মার্চ রাত ১টা ৫৪ মিনিটে। তিথিটি শেষ হবে ১২ মার্চ ভোর ৪টে ১৯ মিনিটে। উদয়া তিথি মেনে আগামী ১১ মার্চ, বুধবার পালিত হবে শীতলা অষ্টমী।
এই ব্রতের একটি বিশেষ দিক হল ‘বাসি’ খাবার নিবেদন। মনে করা হয়, দেবী শীতল ভোগ পছন্দ করেন। তাই এদিন উনুন জ্বালানোর নিয়ম নেই। আগের দিন রাতে তৈরি করা নানাবিধ পদ পরদিন সকালে দেবীকে ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়। একেই চলতি ভাষায় ‘বাসোড়া’ বলা হয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী শীতলা তুষ্ট হলে বসন্ত বা হামের মতো চর্মরোগ থেকে মুক্তি মেলে। সেই সঙ্গে পরিবারে নেমে আসে অনাবিল শান্তি। ২০২৬ সালের ১১ মার্চ পুজোর শুভ সময় শুরু হচ্ছে সকাল ৬টা ৩৬ মিনিটে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত। ভক্তরা এই সময়ের মধ্যেই দেবীর চরণে অর্ঘ্য নিবেদন করতে পারবেন।