ভোটের মরসুম শুরু হয়ে গেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবার ডেইলি প্যাসেঞ্জার হয়ে গেলো বাংলার। তৃণমূলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এবার ময়দানে দেখা যাবে বিজেপিকে।
0জানুয়ারির মাঝামাঝি ২ দিনের সফরে বাংলায় আসছেন। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে জোড়া সভা করার কথা তাঁর। আগামী ১৭ জানুয়ারি উত্তর মালদহে তিনি সভা করবেন। পরদিনই দক্ষিণবঙ্গে সভা তাঁর। আগামী ১৮ জানুয়ারি হাওড়ায় সভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২০ ডিসেম্বর নদিয়ার তাহেরপুরে সভার জন্য বাংলায় এসেছিলেন মোদী। কিন্তু, দৃশ্যমানতা কম থাকায় তাঁর হেলিকপ্টার তাহেরপুরে নামতে পারেনি। হেলিকপ্টার ফিরে আসে কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকেই ভার্চুয়ালি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলের বিভিন্ন দুর্নীতি নিয়ে সরব হন। তেমনই রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেন। পরিবর্তন হবে কিনা তার জবাব দেবে ভবিষ্যৎ। কিন্তু ইতিমধ্যে জমে উঠেছে রাজনৈতিক বিতর্ক।
বছরের শুরু থেকেই জমে উঠেছে রাজনৈতিক কর্চা। ইতিমধ্যে বারুইপুরে অভিষেক মিটিং করেছে। শুরু হয়েছে বিজেপির কর্মসূচি। রাজ্যের শাসকদলের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষ যে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, ব্যালট বক্সে তাঁর জবাব দেবেন ভোটাররা। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া হচ্ছে। তাই ভয় পাচ্ছে তৃণমূল। রাজনৈতিক এই চাপানউতোরের মধ্যেই গত ২৯ ডিসেম্বর তিনদিনের সফরে রাজ্যে এসেছিলেন মোদীর ডেপুটি অমিত শাহ। আর বাংলায় এসে তিনি দাবি করেন, এবার পরিবর্তন সুনিশ্চিত। বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাবে বলেও মন্তব্য করেন শাহ। আবার গতকাল মালদহের চাঁচলের সভা থেকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সনাতনী হিন্দুরা একজোট হলে ২২০ আসন পাবে বিজেপি।
