পশ্চিম মেদিনীপুর বাংলার অন্যতম এক প্রাচীন জেলা – যেখানে বহু ঐতিহ্যবাহী মন্দির আছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরগুলির মধ্যে কর্ণগড়ের মহামায়া ও চাপলেশ্বর মন্দির, পাথরা মন্দির গ্রাম (নবরত্ন মন্দির, রাস মঞ্চ সহ), ঝাড়েশ্বর মন্দির (কানাশোল), এবং পার্বতিনাথ মন্দির (চন্দ্রকোনা) উল্লেখযোগ্য, যেগুলি ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। এছাড়াও, মুক্তিধাম মন্দির (কালী, রাধা-কৃষ্ণ) এবং জিনসরের প্রাচীন জৈন মন্দিরও গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রধান যে মন্দিরগুলোতে এখনো হাজার হাজার ভক্তের ভির হয় –
- কর্ণগড় মন্দির: মেদিনীপুর শহরের কাছে অবস্থিত, ওড়িশা স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত মহামায়া ও চাপলেশ্বর মন্দির দুটি (১০ম শতাব্দী) এখানকার প্রধান আকর্ষণ।
- পাথরা মন্দির গ্রাম: কাঁসাই নদীর তীরে অবস্থিত এই গ্রামটিতে নবরত্ন মন্দির, কাছারি মহল, রাস মঞ্চ, পঞ্চ শিব মন্দির ও টেরাকোটা শিল্পযুক্ত অনেক প্রাচীন মন্দির রয়েছে, যা বাংলার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য বহন করে।
- ঝাড়েশ্বর মন্দির: আনন্দপুর থানার কানাশোলে অবস্থিত প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের প্রাচীন শৈবতীর্থ, যা পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান।
- পার্বতিনাথমন্দির: চন্দ্রকোনার এই ১৭-রত্ন মন্দিরটি ১৯ শতকে নির্মিত এবং এটিও জেলার একটি উল্লেখযোগ্য মন্দির।
- মুক্তিধাম মন্দির: খড়গপুরের কাছে অবস্থিত এই মন্দিরে কালী, রাধা-কৃষ্ণ, হনুমানের মূর্তি রয়েছে এবং এর স্থাপত্যে দক্ষিণ ভারতীয় শৈলীর প্রভাব দেখা যায়।
- জিনসরের জৈন মন্দির: জিনসর গ্রামে অবস্থিত এই প্রাচীন ধ্বংসপ্রাপ্ত জৈন মন্দিরগুলি এই অঞ্চলের জৈন সংস্কৃতির সাক্ষ্য বহন করে।
