www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

January 3, 2026 11:56 pm

সামনেই মকরসংক্রান্তি। ওই দিন কয়েক লক্ষ মানুষ ভিড় জমাবে গঙ্গা সাগরের কপিলমুনি মন্দিরে

সামনেই মকরসংক্রান্তি। ওই দিন কয়েক লক্ষ মানুষ ভিড় জমাবে গঙ্গা সাগরের কপিলমুনি মন্দিরে। সাগরে পুণ্য স্নান করে তারা পুজো দেবেন। তার আগে আমরা সংক্ষেপে জেনে নিই কপিল মুনি মন্দিরের ইতিহাস।কপিল মুনির মন্দির হল ভারতীয় অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গাসাগরে অবস্থিত একটি হিন্দু মন্দির। এটি হিন্দুদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র তীর্থস্থানগুলির মধ্যে একটি এবং কপিল মুনি এখানে তপস্যা করেছিলেন বলে মনে করা হয়।

জনশ্রুতি অনুযায়ী, কপিল মুনির প্রথম মন্দিরটি ৪৩০ খ্রিস্টাব্দে রানী সত্যভামা দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সর্বশেষ অস্থায়ী মন্দিরটি বাঁশ দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। বাঁশ দ্বারা নির্মিত মন্দিরটি ৫০-এর দশকের শেষভাবে বা ৬০-এর দশকের প্রথম দিকেই বিনষ্ট হয়েছিল। প্রথম ইটের তৈরি মন্দির ১৯৬১ সালে ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি তৈরি করা হয়েছিল, মন্দিরের ছাউনি বা ছাঁদ অ্যাসবেস্টস দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। মন্দির নির্মাণে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায় ১১ হাজার টাকা সাহায্য করেছিলেন। মন্দির নির্মাণের কাজ “এস চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং” সম্পন্ন করেছিল। মন্দিরটি বর্তমান মন্দিরের থেকে আকারে ছোট ছিল। নব মন্দিরটি ১৯৭৪ সালে তৈরি করা হয়েছিল। মন্দির ও মন্দির প্রাঙ্গণটি গঙ্গা নদী ও বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী হওয়ায়, মাঝে মধ্যেই ভরা কোটাল বা ঘূর্ণি ঝড়ের সময়ে মন্দির ও মন্দির প্রাঙ্গণে সাগর ও নদীর জল প্রবেশ করে। বঙ্গোপসাগরে ২০২১ সালের মে মাসের শেষ দিকে ইয়াস নামে একটি শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় উৎপন্ন ছিল। এই ঝড়ের প্রভাবে ভরা কোটালের জল কপিলমুনির আশ্রম ও মন্দিরে প্রবেশ করেছিল।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *