www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

February 23, 2026 1:06 pm

হিন্দুদের এক পবিত্র ধৰ্মীয় তথা সামাজিক অনুষ্ঠন হলো দোল বা হোলি। শুধু ভারত নয়, ভারতের বাইরেও বহু দেশে বিভিন্ন নামে এই উৎসব পালন করা হয়। হোলির আগের রাতে উত্তর ভারত ও নেপালের বহু জায়গায় ঐতিহ্য মেনে জ্বালানো হয় পবিত্র আগুন—যা ‘হোলিকা দহন’ নামে পরিচিত। বাংলায় একে বলা হয় ‘ন্যাড়া পোড়ানো’ বা ‘বুড়ির ঘর পোড়ানো’।

  • শাস্ত্র মতে, এই বিশেষ রাতে কিছু নিয়ম মেনে চললে বাস্তুদোষ কাটতে পারে এবং জীবনে আসে সুখ-সমৃদ্ধি ও আর্থিক স্থিতি। অনেক সময় ঘরের ভুল দিকনির্দেশ, অগোছালো পরিবেশ বা ভুল আচরণের কারণেও বাস্তুদোষ সৃষ্টি হয়। যার প্রভাবে কাজের বাধা, অর্থকষ্ট, এমনকি শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে বলে বিশ্বাস করেন অনেকে।
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, দোলের আগে বাড়ির প্রতিটি কোণ ভালোভাবে পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব কোণ পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখা উচিত। বাস্তু মতে, এই দিকেই দেবশক্তির অবস্থান। তাই এই অংশ অগোছালো বা নোংরা থাকলে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ ব্যাহত হয় এবং সমৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
  • হোলিকা দহনের দিন অন্তত সাতবার আগুনের চারদিকে পরিক্রমা করার রীতি বহু জায়গায় প্রচলিত। বিশ্বাস করা হয়, এতে জীবনের অশুভ শক্তি দূর হয়। অনেকে হোলিকার পবিত্র আগুন থেকে অল্প অগ্নিশিখা বাড়িতে এনে উত্তর-পূর্ব কোণে স্থাপন করেন। এই আচার পালনে সংসারে শান্তি ও সুখ বজায় থাকে বলে মনে করা হয়।
  • আরও একটি প্রচলিত রীতি হল হোলিকার আগুনে তাজা ও কাঁচা গম নিবেদন করা। শাস্ত্র মতে, এটি অত্যন্ত শুভ প্রতীক। এতে পরিবারের নেতিবাচক শক্তি দূর হয়ে সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়। অনেকেই নতুন ফসলের প্রতীক হিসেবে গম অর্পণ করেন, যা সমৃদ্ধির বার্তা বহন করে।
  • বাস্তুবিদরা সতর্ক করছেন, হোলিকা দহনের সময় বাড়িতে ভাঙা বা অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র রাখা উচিত নয়। পুরনো ও ভাঙা জিনিসে নেতিবাচক শক্তির আধিক্য থাকে বলে ধারণা। তাই দোলের আগে এমন জিনিস সরিয়ে ফেললে ঘরে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *