আমরা, যারা ধর্মপ্রাণ হিন্দু। তারা নিয়মিত মন্দিরে নানা উপকরণ নিবেদন করি। কিন্তু জ্যোতিষ বলছে বছরের প্রথম সপ্তাহে যদি আপনি মন্দিরে কয়েকটি জিনিস নিবেদন করেন তাহলে আপনার পরিবার সারা বছর সুখে ও শান্তিতে থাকতে পারবে। বছরের শুরুতে মন্দিরে ভোগসামগ্রী দান করতে পারেন। চাল, ডাল, ময়দা দিতে পারেন। যা দিয়ে মন্দিরেই ভোগ তৈরি হতে পারে। আবার কোনও মন্দির কর্তৃপক্ষ সায় দিলে আপনি নিজে হাতে তৈরি করা ভোগও দান করতে পারেন। মন্দির থেকে বহু দীনদরিদ্র মানুষকে পোশাক কিংবা কম্বল বিলি করা হয়। আপনিও তাতে অংশ নিতে পারেন। মন্দির কর্তৃপক্ষের পাশে দাঁড়াতে পুণ্যলাভ হবে বলেই মনে করেন শাস্ত্রজ্ঞরা।
অন্ধকার কেটে আলো জ্বালানোর প্রতীক প্রদীপ। আর প্রত্যেক মন্দিরেই প্রদীপ জ্বালানো হয়। তাই মন্দিরে সরষের তেল কিংবা ঘি দান করতে পারেন। মাটির প্রদীপও দান করেন অনেকে। আর তা না পারলে মোমবাতিও দান করতে পারেন। তাতে জীবনে আঁধার কেটে আসবে আলো। কোনও মন্দিরে যদি দেবীমূর্তি থাকে, তাহলে সিঁদুর ও আলতা দান করতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিবাহিত মহিলারা এই সামগ্রী দান করতে পারেন। গোমাতার সেবায় নিয়োজিত হতে চান? তবে আপনি গরুর উপযোগী কোনও সামগ্রী মন্দিরে দান করতে পারেন। সবুজ ঘাস, খুদ, ভূসি দিতে পারেন।
