www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

February 26, 2026 11:10 pm

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই দোলউৎসব। হিন্দুদের কাছে দোল খুবই পবিত্র এক সামাজিক তথা ধৰ্মীয় উৎসব

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই দোলউৎসব। হিন্দুদের কাছে দোল খুবই পবিত্র এক সামাজিক তথা ধৰ্মীয় উৎসব। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা ও সখীদের সাথে আবির খেলেছিলেন, যা দোল খেলার সূচনা করে । এছাড়া এই দিনটি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মতিথি (গৌর পূর্ণিমা) হিসেবেও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দোল উৎসবের জন্মকথা ও এর নেপথ্যের কাহিনীগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও রঙের খেলা: বৈষ্ণব মত অনুযায়ী, এই দিনে শ্রীকৃষ্ণ রাধিকা ও গোপীদের সাথে রঙ খেলায় মেতেছিলেন । এই আনন্দময় দিনটিতে রাধা-কৃষ্ণের প্রতিমূর্তিকে আবিরে রাঙিয়ে দোলায় চড়িয়ে নগরকীর্তনে বের করা হয় ।
  • হোলিকা দহন বা নেড়াপোড়া: দোল উৎসবের ঠিক আগের দিন রাতে ‘নেড়াপোড়া’ বা হোলিকা দহন পালিত হয়। এটি মন্দের ওপর ভালোর জয়ের প্রতীক। ভাগবত পুরাণ অনুযায়ী, রাজা হিরণ্যকশিপু তার বিষ্ণুভক্ত পুত্র প্রহ্লাদকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু হোলিকা (হিরণ্যকশিপুর বোন) নিজে আগুনে দগ্ধ হলেও প্রহ্লাদ অক্ষত ছিলেন ।
  • শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মতিথি: বাংলায় দোল পূর্ণিমার আরেকটি বিশেষ তাৎপর্য হলো ১৪৮৬ সালের এই দিনে নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম হয়েছিল । তাই গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের কাছে এটি ‘গৌর পূর্ণিমা’ নামেও পরিচিত । বসন্ত উৎসব ও প্রকৃতির রং: দোল মানেই বসন্তের আগমন। প্রকৃতির রঙের বাহারের সাথে মিলিয়ে এই উৎসবে মানুষ রঙের উৎসবে মেতে ওঠে, যা পরস্পরকে ভালোবাসার রঙে রাঙিয়ে তোলে । ঐতিহ্যগতভাবে, এই দিনে রাধা-কৃষ্ণের দোলা বা পালঙ্ক সাজিয়ে ফুল ও আবির দিয়ে পূজা করা হয় এবং ভক্তরা কীর্তন গেয়ে এই উৎসব উদযাপন করেন।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *