www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

February 26, 2026 11:10 pm

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দোল উৎসবকে প্রথাগত ধর্মীয় গণ্ডি থেকে বের করে শান্তিনিকেতনে 'বসন্ত উৎসব' হিসেবে নতুন রূপ দিয়েছিলেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দোল উৎসবকে প্রথাগত ধর্মীয় গণ্ডি থেকে বের করে শান্তিনিকেতনে ‘বসন্ত উৎসব’ হিসেবে নতুন রূপ দিয়েছিলেন । বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বিশ্বভারতীতে কবিগুরু প্রবর্তিত এই উৎসবে আবির খেলা, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও কবিতা পাঠের মাধ্যমে প্রকৃতি ও বসন্তকে বরণ করা হয়, যা এখন বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ । রবীন্দ্রনাথ ও দোল উৎসবের মূল বিষয়সমূহ:
বসন্ত উৎসবের সূচনা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দোলের দিন (দোল পূর্ণিমা) শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব শুরু করেন, যা প্রকৃতির রূপ বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রঙের উৎসব ।

ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন: এই উৎসব প্রথাগত হোলির চেয়ে আলাদা; এটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বাউল গান এবং রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব সৃষ্টিশীলতা নিয়ে গড়া।

পোষাক ও আবির: উৎসবের মূল আকর্ষণ হলুদ পোষাক পরিহিত ছাত্র-ছাত্রীদের প্রভাতফেরি, ফুলেল সাজ এবং একে অপরকে আবির মাখানো।

উদ্দেশ্য: আচার্য ক্ষিতিমোহন সেনের মতে, রবীন্দ্রনাথ এই উৎসবের মাধ্যমে সত্য ও সুন্দরের জয়কে তুলে ধরেছিলেন। শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব আজ বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *