জীব-জন্তুর মতো বন্ধু আর কে আছে! নিমেষে দিনের যাবতীয় ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে ওদের সঙ্গ। প্রবল মনখারাপের ওষুধও রয়েছে ওদের কাছেই। সে চারপেয়ে হোক, মাছ হোক বা অন্যকিছু, মুহূর্তে চারপাশটা ভালো করে দেওয়ার ম্যাজিক রয়েছে ওদের মধ্যে। তবে শুধু মাত্র নিখাদ আনন্দ পেতে বা ভালোবেসেই যে সকলে ওদের বাড়িতে আনেন তা কিন্তু নয়। অনেকেই আবার ভাবেন জীবসেবায় ফেরে ভাগ্য। কিন্তু সত্যিই কি তাই? বাড়িতে অ্যাকোয়েরিয়াম বা পোষ্য রাখলে বাস্তুতে তার কী প্রভাব পড়ে? জেনে নিন কী বলছে জ্যোতিষশাস্ত্র।
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী পোষ্য যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তা নয়। কিছু কিছু পশু সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। কিন্তু সেক্ষেত্রে প্রাণী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি বাড়িতে কুকুর রাখেন, তা যদি কালো হয় তা ভীষণ ভালো হিসেবেই ধরা হয়। মাছ বা পাখিও ফেরায় সৌভাগ্য। তবে তা কোথায় রাখছেন তার ভিত্তিতে প্রভাব পড়ে বাস্তুতে। অর্থাৎ আপাতদৃষ্টিতে সুখের চাবিকাঠি হিসেবে গণ্য হয় যে মাছ, তা যদি বাড়ির ভুল জায়গায় রাখা হয়, তাহলে ঘনিয়ে আসতে পারে চরম বিপদ। আবার কোনও কোনও পোষ্য বাড়িতে আনতে মানসিক ও আর্থিক সমস্যা হতে বাধ্য। বলা হচ্ছে, বাড়িতে যদি অ্যাকোয়ারিয়াম রাখেন সেক্ষেত্রে তা কোথায় রাখা হচ্ছে তা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। জ্যোতিষদের কথায়, বাড়ির দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে যদি অ্যাকোয়ারিয়াম রাখেন তাহলে তা সব দিক থেকে বৃদ্ধি ঘটায়। কিন্তু দিক ভুল করলে ঘনাতে পারে বিপদ। একইভাবে অনেকেই বাড়িতে কচ্ছপের শোপিস রাখেন। এক্ষেত্রেও বাড়ির ভুল কোনায় তা রাখা হলে অর্থাগম বাধা প্রাপ্ত হয়। পশ্চিম দিক হচ্ছে ইচ্ছাপূরণের দিক। তাই কচ্ছপের শোপিস যদি সেদিকে রাখেন তাহলে অর্থবৃদ্ধি হয়। তাই কোন পোষ্য শুভ, কোথায় রাখা শুভ তা জেনেই আনা উচিত বলেই মন্তব্য জ্যোতিষবিদদের।
