www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

September 5, 2026 10:45 am

ভারতের বিভিন্ন জায়গায় এমন কিছু মন্দির আছে যেখানে পৌঁছানো রীতিমত কষ্টসাধ্য

ভারতের বিভিন্ন জায়গায় এমন কিছু মন্দির আছে যেখানে পৌঁছানো রীতিমত কষ্টসাধ্য। তেমনই এক মন্দিরের খবর আজ আপনাদের দিচ্ছি। কল্পনা করা যাক, ঘন সবুজ শ্যাওলা ঢাকা খাড়াই পাহাড়ি পথ। সঙ্গে তুমুল বৃষ্টি। প্রাণ হাতে করে এখানে পথ চলেন পর্যটক। সামান্য পা হড়কে গেলেই পড়তে হবে খাদে! তবে এই দুর্গম রাস্তা পার করতে পারলে পৌঁছতে পারা যাবে ত্রিঙ্গলওয়াড়ি দুর্গে (Tringalwadi Fort)। মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার ইগতপুরির কাছে সহ্যাদ্রি পর্বতমালায় অবস্থিত এই ত্রিঙ্গলওয়াড়ি দুর্গ। আর তার প্রবেশদ্বারে অপেক্ষমান স্বয়ং অঞ্জনিপুত্র। দুর্গটির নির্মাণকাল নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। তবে তার পাদদেশে অবস্থিত প্রাচীন জৈন গুহার নির্মাণের ধরন দেখে আন্দাজ করা যায়, যে এটি আনুমানিক ১০ম শতকে তৈরি। ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে যে দুর্গটি প্রাচীন বাণিজ্যপথের উপর নজর রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এককালে।

দুর্গের পশ্চিম দিকের প্রবেশপথটিই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। মনে করা হয়, সে যুগের সুদক্ষ স্থাপত্যকীর্তিগুলির অন্যতম এটি। বিভিন্ন সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রবেশপথ এবং সেখানে পৌঁছনোর সিঁড়ি, একই বিশালকায় শিলার অংশ কেটে তৈরি করা হয়েছিল। এই পথ অত্যন্ত দুর্গম ও খাড়াই। পায়ে হেঁটে উঠতে হয় প্রায় ৩০০০ ফুট। পথ চলার সময় বৃষ্টি নামলে তা আরও বিপদসঙ্কুল হয়ে ওঠে। সিঁড়ি এসে থামে দুর্গের প্রবেশদ্বারের কাছে, যেখানে আলোচ্য হনুমান মূর্তিটি রয়েছে। মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় ৬–৭ ফুট। সেটিকেও আলাদা কোনও শিলাখণ্ড কেটে তৈরি করা হয়নি। বরং সংশ্লিষ্ট পাহাড়টির গা কেটেই নির্মাণ করা হয়েছে। এ কাজে কত সময় লেগেছে তার কোনও লিখিত উল্লেখ ঐতিহাসিক নথিতে না থাকলেও, এমন সূক্ষ্মতার কাজ যে রীতিমতো সময়সাপেক্ষ তা অনুমান করা যায়। দুর্গম পথের শেষে যেন মারুতি অপেক্ষা করে রয়েছেন ভক্তদের তরে। ভক্তরাও ঈশ্বরের এমন রূপ দর্শনের আশায় খাড়াই গিরিপথ অতিক্রম করেন। অনেকে মনে করেন, মারুতি এখানে দুর্গটির রক্ষাকর্তা।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *