www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

August 31, 2026 9:41 am

নাড়ুগোপালকে ৫৬ ভোগ নিবেদন করার রীতি বহুদিন। কিন্তু তা এমনই এমনই হয় নি।

নাড়ুগোপালকে ৫৬ ভোগ নিবেদন করার রীতি বহুদিন। কিন্তু তা এমনই এমনই হয় নি। এর পিছনে আছে কিছু পৌরাণিক ও ধৰ্মীয় কারণ। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, মা যশোদা ছোট্ট কৃষ্ণকে দিনে আট বার খাবার খাওয়াতেন। একবার ইন্দ্রদেবের প্রবল ঝড়-বৃষ্টি থেকে ব্রজবাসীদের বাঁচাতে শ্রীকৃষ্ণ টানা সাত দিন নিজের আঙুলে গোবর্ধন পর্বত তুলে ধরেছিলেন। ওই সাত দিন তিনি এক দানাও খাবার খাননি। ঝড় থামলে ব্রজবাসীরা ভালোবেসে সাত দিনের আট বেলার মোট হিসেব করে (৭ × ৮) ছাপ্পান্ন রকমের পদ রান্না করে তাঁকে খেতে দেন। সেই থেকেই এই বিশেষ ভোগের চল শুরু হয়েছে। পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৬ সালে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালিত হবে ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। রোহিণী নক্ষত্র ও অষ্টমী তিথির শুভ যোগে মধ্যরাতে নাড়ুগোপালের বিশেষ পুজো করা হয়।

ভোগ দেওয়ার সময় কী কী নিয়ম মানবেন?

  • শুদ্ধতা: ভোগের সব খাবার সম্পূর্ণ নিরামিষ ও সাত্ত্বিক হতে হবে। পেঁয়াজ-রসুন পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। রান্নায় খাঁটি গাওয়া ঘি ব্যবহার করা সবচেয়ে শুভ।
  • তুলসী পাতা ছাড়া ভোগ নয়: প্রতিটি খাবারের ওপর একটি করে তুলসী পাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক। বিশ্বাস করা হয়, তুলসী পাতা ছাড়া শ্রীকৃষ্ণ কোনও ভোগ গ্রহণ করেন না।
  • সঠিক বাসন বেছে নিন: ঠাকুরকে ভোগ দেওয়ার জন্য সোনা, রুপো, কাঁসা, পিতল, তামা, কাঠ বা মাটির পাত্র ব্যবহার করুন। ভুলেও প্লাস্টিক বা স্টিলের থালায় ভোগ দেবেন না।
  • জলের পাত্র: ভোগের থালার পাশে একটি ছোট পাত্রে পরিষ্কার জল রাখা অত্যন্ত জরুরি।
  • পর্দা দেওয়ার নিয়ম: ভোগ নিবেদন করার পর ঘণ্টা বা করতালি বাজিয়ে ঠাকুরকে আহ্বান জানান। এরপর ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য ঠাকুরের ঘরের দরজা বা পর্দা টেনে দিন, যাতে তিনি নিভৃতে ভোগ গ্রহণ করতে পারেন।
  • ভোগ তোলার সময়: ঠাকুরের সামনে সারা দিন ভোগ ফেলে রাখবেন না। ৫-১০ মিনিট পরেই সেই ভোগ তুলে নিয়ে প্রসাদ হিসেবে সবার মধ্যে বিলি করে দিন।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *