www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

August 28, 2026 9:21 am

সারা ভারত জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধৰ্মীয় বৈচিত্র। আবার হিন্দু ধর্মের মঠ-মন্দিদের মধ্যেও আছে নানা বৈচিত্র।

সারা ভারত জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধৰ্মীয় বৈচিত্র। আবার হিন্দু ধর্মের মঠ-মন্দিদের মধ্যেও আছে নানা বৈচিত্র। তেমনই এক মন্দির আছে রাজস্থানের সাওয়াই মাধোপুরে। পাহাড়ি চূড়ায় দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক রণথম্ভোর দুর্গ। আর এই সুপ্রাচীন কেল্লার বুক চিরে জেগে উঠেছে এক অনন্য ভক্তিপীঠ। এখানে সিদ্ধিদাতা গণেশ একা নন, বিরাজ করছেন সপরিবারে। রাজস্থানের এই অপূর্ব প্রান্তে ভ্রমণ শুধু ইতিহাসের সন্ধান দেয় না, আত্মিক প্রশান্তিও জোগায়। একমাত্র দেশের এই মন্দিরেই সপরিবারে বিরাজ করছেন তিন চোখের অলৌকিক গণেশ। রণথম্ভোরের এই শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরের নাম ত্রিনেত্র গণেশ মন্দির। চতুর্দশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে রাজা হাম্মীর দেব এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। আলাউদ্দিন খিলজির অবরোধের সময় রাজা স্বপ্নে গণেশের দর্শন পান। পরের দিনই দুর্গের দেওয়ালে আবির্ভূত হয় তিন চোখের এই অলৌকিক মূর্তি। বিশ্বাস করা হয়, এর পরেই দুর্গের খাদ্যসংকট দূর হয় এবং যুদ্ধের মেঘ কাটে। গণেশের পাশাপাশি এখানে রয়েছেন তাঁর দুই স্ত্রী ঋদ্ধি ও সিদ্ধি, দুই পুত্র শুভ ও লাভ এবং বাহন মূষিক। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ চিঠির মাধ্যমে নিমন্ত্রণ। শুভ কাজ বা বিয়ের আগে ভক্তরা আজও দূর-দূরান্ত থেকে বাপ্পাকে চিঠি পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানান।

রণথম্ভোর ভ্রমণের জন্য সেরা সময় হল অক্টোবর থেকে মার্চ মাস। এই সময় আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরম থাকে। সেপ্টেম্বর মাসে গণেশ চতুর্থীর সময় গেলে মন্দিরের বিশেষ রূপ ও মেলা প্রত্যক্ষ করা যায়। নিকটতম রেল স্টেশন হল সাওয়াই মাধোপুর, যা মন্দির থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আকাশপথে আসতে চাইলে জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে হবে। বিমানবন্দর থেকে রণথম্ভোরের দূরত্ব প্রায় ১৮০ কিলোমিটার। স্টেশন বা বিমানবন্দর থেকে ক্যাব কিংবা বাস সহজেই মেলে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *