www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

August 25, 2026 7:10 pm

সনাতন ধর্মে একাদশী ব্রতের গুরুত্ব অপরিসীম, আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই বিশেষ তিথিটি যোগিনী একাদশী নামে পরিচিত, এই পবিত্র দিনে জগৎপালক ভগবান বিষ্ণু এবং ধনসম্পদের দেবী মা লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়ে থাকে

সনাতন ধর্মে একাদশী ব্রতের গুরুত্ব অপরিসীম, আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই বিশেষ তিথিটি যোগিনী একাদশী নামে পরিচিত, এই পবিত্র দিনে জগৎপালক ভগবান বিষ্ণু এবং ধনসম্পদের দেবী মা লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়ে থাকে, হিন্দু শাস্ত্র মতে এই ব্রত পালন করলে মানুষের সমস্ত পাপ দূর হয় এবং জীবনে সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়, ২০২৬ সালের এই বিশেষ দিনে ভগবান বিষ্ণুর কৃপা পাওয়ার জন্য তুলসী গাছের কিছু সহজ টোটকা বা উপায়ের কথা বলা হয়েছে, যা মেনে চললে সংসারে কোনোদিন অভাব অনটন ছুঁতে পারবে না বলে বিশ্বাস ভক্তদের।শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুসারে যোগিনী একাদশীর দিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে নেওয়া উচিত, এরপর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বস্ত্র পরিধান করে ব্রতের সংকল্প নেওয়া অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়, এই পুণ্য তিথিতে ঘরের তুলসী মঞ্চ বা তুলসী গাছের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি, কারণ তুলসী দেবী হলেন ভগবান বিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয়, একাদশীর সকালে স্নানের পর তুলসী গাছে জল অর্পণ করা অত্যন্ত শুভ ফলদায়ী, তবে খেয়াল রাখতে হবে জল যেন খুব বেশি পরিমাণে ঢালা না হয়, এই নিয়ম মেনে চললে জীবনে ইতিবাচক শক্তির বিকাশ ঘটে।

একাদশীর পুণ্য লগ্নে তুলসী গাছের গোড়ায় কাঁচা দুধ নিবেদন করার একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে, সামান্য গঙ্গা জলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা কাঁচা গরুর দুধ মিশিয়ে তুলসী গাছের গোড়ায় ঢাললে ভগবান বিষ্ণু অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন, মনে করা হয় এই উপায়ে মা লক্ষ্মীও ভীষণ প্রসন্ন হন, যার ফলে জাতকের কুষ্টিতে থাকা রাহু কেতুর অশুভ দশা কেটে যায়, কাঁচা দুধ অর্পণের সময় মনে মনে ভগবান বিষ্ণুর মন্ত্র জপ করা উচিত, এর ফলে পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা যেকোনো ধরনের আর্থিক অনটন বা টানাটানি দূর হয়ে যায়। যোগিনী একাদশীর দিন সন্ধ্যার সময় তুলসী গাছের নিচে একটি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত কল্যাণকর, এই প্রদীপটি জ্বালানোর সময় তাতে সামান্য সিঁদুর বা কুমকুম মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে, প্রদীপ জ্বালানোর পর তুলসী দেবীকে স্মরণ করে ভক্তিভরে আরতি করা উচিত, বিশ্বাস করা হয় যে এই প্রদীপ জ্বালানোর ফলে ঘরের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি বা বাস্তুদোষ নিমেষের মধ্যে দূর হয়ে যায়, এর ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সুখ শান্তি বজায় থাকে এবং সব কাজেই সফলতা আসে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *