www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

May 24, 2026 11:23 am

ইসলামে দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো ইদুল ফিতর ও ইদুল আযহা।

ইসলামে দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো ইদুল ফিতর ও ইদুল আযহা। ভারতে ইদুল ফিতরকে সাধারণত ‘সেমাই ইদ’ বা ‘মিষ্টি ইদ’ বলা হয়, আর ইদুল আযহা পরিচিত ‘বকরি ইদ’ নামে। এই উৎসবে মুসলমানরা ইদের নামাজ আদায় করেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কুরবানি করেন। বর্তমানে বকরি ইদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজ্যে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ ও দিল্লিতে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কোথায় কী পশু কুরবানি করা যাবে, তা নিয়ে সরকারি নির্দেশিকাও জারি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেকের প্রশ্ন, ইসলামে কুরবানি নিয়ে আসলে কী বলা আছে? ইদুল আযহা বা বকরি ইদ ইসলামী বর্ষপঞ্জির যুল-হিজ্জাহ মাসের ১০ তারিখে পালিত হয়। মুসলমানরা এই দিনটি স্মরণ করেন হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মহান আত্মত্যাগের ঘটনাকে।

ইসলাম অনুযায়ী, কুরবানি সবার ওপর বাধ্যতামূলক নয়। এটি কেবল সেই ব্যক্তির ওপর ফরজ, যিনি আর্থিকভাবে সক্ষম, অর্থাৎ ‘সাহিবে নিসাব’।যে ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ (যেমন সোনা, রূপা বা সমমূল্যের অর্থ) রয়েছে, তাকে সাহিবে নিসাব বলা হয়। এমন ব্যক্তি ঋণ নিয়ে বা কারও ওপর বোঝা হয়ে কুরবানি করতে বাধ্য নন। ইসলামে কুরবানির পশু নির্বাচনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে। পশু অবশ্যই সুস্থ ও স্বাভাবিক হতে হবে। অন্ধ, খোঁড়া, গুরুতর অসুস্থ বা অত্যন্ত দুর্বল পশু কুরবানির উপযুক্ত নয়। এছাড়া পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এক পশুর সামনে অন্য পশু জবাই করা বা ছুরি ধার দেওয়া ইসলামে অনুচিত বলে গণ্য হয়।
ইসলামে নির্দিষ্ট কিছু পশু কুরবানির জন্য বৈধ, ছাগল, ভেড়া, মেষশাবক, গরু, মহিষ ও উট।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *