জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিজেদের সচেতন হতে হবে। তাই নিজেদের স্বাস্থ্য রেখাকে নিজের চিনে নিতে হবে।হৃদয়রেখা সাধারণত হাতের উপরের দিকে অনুভূমিকভাবে থাকে। যদি দেখেন স্বাস্থ্যরেখা সেই হৃদয়রেখায় গিয়ে ছেদ করেছে, বা সেখানে ‘ক্রস’ বা ‘এক্স’ চিহ্ন তৈরি হয়েছে, হস্তসমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী সেটা অশুভ। জ্যোতিষ মতে, এই ধরনের ছেদ হার্টের সমস্যার ইঙ্গিত বহন করে। জীবনের কোনও এক সময়ে আকস্মিক শারীরিক সঙ্কট বা হৃদ্সংক্রান্ত সমস্যার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ রয়েছে প্রাচীন ব্যাখ্যায়। একবার নিজের হাতটা ভালো করে দেখুন। বিশেষ করে কনিষ্ঠ আঙুলের নীচের অংশে নজর দিন। নিচের দিক থেকে উঠে আসা একটি সরু উলম্ব রেখা কি দেখতে পাচ্ছেন? সেটাই স্বাস্থ্যরেখা, যাকে হস্তরেখা শাস্ত্রে বুধরেখাও বলা হয়। প্রাচীন হস্তসমুদ্র শাস্ত্র মতে, এই রেখাই বলে দিতে পারে আপনার স্বাস্থ্যের খবর। সব মানুষের হাতে স্বাস্থ্যরেখা স্পষ্ট থাকে না। কারও হাতে একেবারেই নেই, কারও আবার খুব গাঢ়।
শাস্ত্র বলছে, স্বাস্থ্যরেখা না থাকলে অনেক সময় সেটিকে স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল স্বাস্থ্যের লক্ষণ ধরা হয়। কিন্তু রেখাটি যদি গভীর, কাঁপা-কাঁপা, ভাঙা বা দাগযুক্ত হয়, তখন সেটিকে সতর্কবার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। হৃদয়রেখা সাধারণত হাতের উপরের দিকে অনুভূমিকভাবে থাকে। যদি দেখেন স্বাস্থ্যরেখা সেই হৃদয়রেখায় গিয়ে ছেদ করেছে, বা সেখানে ‘ক্রস’ বা ‘এক্স’ চিহ্ন তৈরি হয়েছে, হস্তসমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী সেটা অশুভ। জ্যোতিষ মতে, এই ধরনের ছেদ হার্টের সমস্যার ইঙ্গিত বহন করে। জীবনের কোনও এক সময়ে আকস্মিক শারীরিক সঙ্কট বা হৃদ্সংক্রান্ত সমস্যার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ রয়েছে প্রাচীন ব্যাখ্যায়। আরও একটি লক্ষণ খেয়াল করুন। স্বাস্থ্যরেখার উপর যদি কালো বিন্দু, গাঢ় দাগ বা ছোট গোল ফাঁপা অংশ থাকে, তাহলে সেটি দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার প্রতীক বলে ধরা হয়। যদি সেই অংশ থেকে সূক্ষ্ম রেখা হৃদয়রেখার দিকে উঠে যায় তাহলে হার্টের ওপর কুপ্রভাব পড়ার ইঙ্গিত বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। তবে শুধু একটি রেখা দেখে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। স্বাস্থ্যরেখার সঙ্গে হৃদয়রেখা, জীবনরেখা এবং শনি ও বুধ পর্বতের অবস্থাও বিচার করা হয়।