এই মুহূর্তে বাংলাদেশে প্রবল ভারত বিরোধী ও হিন্দু বিরোধী অবস্থান। সেই জায়গায় দাঁড়িয়েই চঞ্চল চৌধুরী ও পরীমনি জুটি বাঁদছে ‘শাস্তি’ছবিতে। এই প্রথমবার জুটি বাঁধছেন তাঁরা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী ছোটগল্প ‘শাস্তি’কেই ছবির পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হবে। গল্পে দুই ভাই চিদাম এবং দুখিরামের পারিবারিক জীবন তুলে ধরা হয়েছে। সামান্য বিবাদের জেরে একদিন চিদাম আচমকা দুখিরামের স্ত্রীকে খুন করে। আইনের হাত থেকে বাঁচতে খুনের দায় নিজের স্ত্রী চন্দরার উপর চাপিয়ে দেয়। নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও একটিবারের জন্য প্রতিবাদ করেন চন্দরা। মৃত্যুদণ্ডের আগে সত্য বলার সুযোগ পেয়েছিলেন চন্দরা। তাও মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তিনি। এই নীরবতাই যেন প্রতিবাদ।
শাস্তি শুধু একটি খুনকে ঘিরে আবর্তিত গল্প নয়। এক মহিলার উপর আরোপিত অন্যায়, নৈতিক ভাঙন এবং সমাজের নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। এই গল্পকে সেলুলয়েডের ফ্রেমে বাঁধবেন পরিচালনায় লিসা গাজি। তিনি জানান, সমাজে নারীর অবস্থান, নৈতিক সংকট এবং সময়ের আবর্তে বদলে যাওয়া মূল্যবোধই হল এই ছবির মূল সুর। কীভাবে অবিচার এবং বিশ্বাসভঙ্গের বিরুদ্ধে নীরবতাকে হাতিয়ার করে লড়াই করা যায়, তা ফুটিয়ে তোলা হবে সেলুলয়েডে। তা বলে রবীন্দ্রনাথ মূল গল্পের প্রেক্ষাপটের কোনও বদল করা হবে না।
